শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে একের পর এক হামলা

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে একের পর এক হামলা

ডেইলি খবর ডেস্ক: সম্প্রতি রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার প্রায় সব বড় তেল শোধনাগার সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।বুধবার (২০ মে) রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার মুখে পড়া শোধনাগারগুলোর মোট বার্ষিক সক্ষমতা ৮ কোটি ৩০ লাখ টনের বেশি, যা রাশিয়ার মোট তেল পরিশোধন সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।এসব শোধনাগার দেশটির মোট পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ইতোমধ্যে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত পেট্রল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে তেল শোধনাগার, পাইপলাইন ও সংরক্ষণাগার।এর ফলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়ার তেল উৎপাদনেও চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির ফেডারেল বাজেটেও এর প্রভাব পড়ছে। কারণ রাশিয়ার মোট রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে তেল ও গ্যাস খাত থেকে।
হামলার শিকার হওয়া প্রধান শোধনাগারগুলোর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম রাশিয়ার কিরিশি, মস্কো অয়েল রিফাইনারি, ভলগা নদীর তীরে নিঝনি নোভগোরদ, রিয়াজান ও ইয়ারোস্লাভল এলাকার শোধনাগার।
সূত্রগুলো জানায়, রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কিরিশি শোধনাগারটি গত ৫ মে থেকে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ছিল প্রায় ২ কোটি মেট্রিক টন।
এছাড়া ১ কোটি ৭০ লাখ টন সক্ষমতার নিঝেগোরোদনেফতেওর্গসিনতেজ (নরসি) শোধনাগারেও ২০ মে হামলা চালানো হয়। হামলার পর সেটি আংশিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পেরেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!