শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঠিক উত্তর পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবেন ট্রাম্প

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৯:৩১ এএম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঠিক উত্তর পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবেন ট্রাম্প

ডেইলি খবর ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বলেছেন, ইরান যদি শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তেহরানের বিরুদ্ধে আরও হামলা চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ‘সঠিক উত্তর’ পাওয়ার জন্য ওয়াশিংটন কয়েক দিন অপেক্ষাও করতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি এখন ‘একেবারে শেষ সীমায় দাঁড়িয়ে আছে’ এবং খুব দ্রুত তা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরান আগ্রাসনের অফিশিয়াল নাম অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ স্থগিত করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ছয় সপ্তাহ পরও যুদ্ধ অবসানের আলোচনা খুব একটা অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তাকেও চাপে ফেলেছে।মার্কিন সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, যদি আমরা কাঙ্ক্ষিত উত্তর না পাই, তাহলে খুব দ্রুত সবকিছু ঘটবে। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’ কত দিন অপেক্ষা করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কয়েক দিনও হতে পারে, আবার খুব দ্রুতও ঘটতে পারে।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নতুন করা হামলার শুরু করলে তার জবাব হবে ব্যাপক ও কড়া। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন আবার চালানো হলে প্রতিশ্রুত আঞ্চলিক যুদ্ধ এবার অঞ্চল ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত হবে।’
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও শীর্ষ শান্তি আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘শত্রুর প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা’ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, তেহরান এখনো আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তবে জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার ধারণা নিছক বিভ্রম ছাড়া আর কিছু নয়। অপর দিকে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা ইরান ইস্যুর শেষ পর্যায়ে আছি। দেখা যাক, কী হয়। হয় একটি চুক্তি হবে, নয়তো আমরা কিছুটা কঠোর পদক্ষেপ নেব। যদিও আশা করি সেটা লাগবে না।’ দিনের শুরুতে সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, ‘আদর্শিকভাবে আমি চাই কম মানুষ মারা যাক, অনেকের বদলে। আমরা দুভাবেই এটা করতে পারি।’একই দিনে ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। আঙ্কারা জানায়, এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ট্রাম্পকে বলেছেন, তিনি মনে করেন একটি ‘যৌক্তিক সমাধান’ সম্ভব।ফাইল ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!