শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

দলবল নিয়ে থানায় ঢুকে ওসিসহ ৮ পুলিশকে পিটিয়ে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

আইন-অপরাধ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

দলবল নিয়ে থানায় ঢুকে ওসিসহ ৮ পুলিশকে পিটিয়ে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

আইন-অপরাধ ডেস্ক: গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৮ পুলিশ সদস্যকে মরাপিটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামায়াত নেতা মো. মিজানুর রহমান মিজানকে (৩৫) গ্রেপ্তা করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোরে পৌরশহরের গৃধারীপুর এলাকার নিজ বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়। একই সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফাকে ঘোড়াঘাট এলাকা থেকে আটক করা হলেও সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের সাবেক আমির এবং উপজেলা পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোরে পৌরশহরের গৃধারীপুর এলাকার নিজ বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফাকে ঘোড়াঘাট এলাকা থেকে আটক করা হলেও সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, আটক মিজানুর রহমানকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তাকে আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে দলীয় সূত্রের দাবি, গত ২৫ মার্চ পলাশবাড়ী থানায় ওই ঘটনার সাথে মিজানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে উপজেলা জামায়াত। একই সঙ্গে তারা আটক নেতা মিজানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান বলেন, প্রধান আসামি যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদ হাসান পলাশ ও গ্রেপ্তার মিজান একই সঙ্গে ছিলেন। পলাশকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একধিক দল কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের মাহমুদ হাসান পলাশের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী একটি অভিযোগপত্র নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওসিকে চাপ দেন। এ সময় ওসির সঙ্গে কথাবার্তা ও তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে উপস্থিত জামায়াত নেতাকর্মীরা ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন। এতে ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয় বলে দাবি করে পুলিশ।
এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় এজাহার নামীয় ৯ জন ও অজ্ঞাত আরও ১১ থেকে ১২ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ছবি-সংগৃহীত

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!