রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩

এস আলম গ্রুপের টাকায় চলছে আলোকিত বাংলাদেশ, লুটে খাচ্ছে ডামের গোলাম-আজাদ

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

এস আলম গ্রুপের টাকায় চলছে আলোকিত বাংলাদেশ, লুটে খাচ্ছে ডামের গোলাম-আজাদ

এস আলম গ্রুপের টাকায় চলছে আলোকিত বাংলাদেশ, লুটে খাচ্ছে ডামের গোলাম-আজাদ

আইন অপরাধ ডেস্ক: পলাতক এস আলম গ্রুপের টাকায় চলছে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ। পত্রিকাটি এস আলম গ্রুপের মুখপাত্র হিসাবে ও তাদের পক্ষে প্রচারণার কথা বলে এস আলমের কাছ থেকে এ ৫ বোটি টাকা আনে ঢাকা আহছানিয়া মিশন।
সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম) আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড করে এস আলম গ্রুপ থেকে আনা এ ৫ বোটি টাকা ব্যবহার করছে। লুটেপুটে খাচ্ছে।

জানা গেছে এস আলম গ্রুপের কাছ থেকে নগদে এ ৫ কোটি টাকা এনে ডামের মুখপাত্র হিসাবে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা বের করে। এবং আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড-এর শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ডাম।

পত্রিকা প্রকাশের নামে আরও বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে আলোকিত বাংলাশের শেয়ার বিক্রি করার নামে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেয় ওই এনজিও ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রতারক চক্র। আলোকিত বাংলাদেশ নন প্রফেটেবল দেখিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের টাকা মেরে দিয়েছে।

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রতারক চক্রটির করা আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড নামে আছে কাজে নাই। প্রশ্ন হচ্ছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের ব্যানারে প্রকাশিত দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের আয়-ব্যয় কোথায় যাচ্ছে, দেখাশোনার দায়িত্বে কে?

দেড় লাখ কাগজ ছাপার কথা বলে আড়াইশ কপি ছেপে সরকারী বিজ্ঞাপনের বিলের টাকা যাচ্ছে কোথায়, লুটেপুটে খাচ্ছে কে? অভিযোগ রয়েছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের নামে থাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে ১টি টাকাও জমা দেওয়া হচ্ছেনা কেনো?

খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত বাংলাদেশের নামে পৃথক ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলে নানাভাবে সমস্ত আয় লুটে খাচ্ছে-নিচ্ছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনেরই বর্তমান চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ও তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ। এতে সহযোগীতা করছেন ঘুসে অডিট ঠিকাদার রফিকুজ্জামান।

খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এক সময়ের আলোচিত দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডারদের সাথেও প্রতারণা করেছেন। ভুয়া রেজুলেশন করে লুটে খাচ্ছেন।

আলোকিত বাংলাদেশের আয় করা অর্থ কৌশলে আলোকিত বাংলাদেশের নামে পৃথক ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলে তাতে নিজে ও তার মাইম্যান হিসাব রক্ষক আজাদকে দিয়ে চেক স্বাক্ষর করিয়ে প্রাইম ব্যাংক তেজগাও শিল্প এলাকা শাখা থেকে টাকা তুলে গত ২ বছর যাবত ভাগবাটোয়ারা করে খাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

খোজ নিযে জানা গেছে গোলাম-আজাদ আলোকিত বাংলাদেশ থেকে টাকা তুলে নেবে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের এধরনের কোনো রেজুলেশনই নাই। পর্ষদের বৈঠকও কখনো হয় না।

আলোকিত বাংলাদেশের মালিকানা দাবি করে গোলাম-আজাদ গংরা আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডকে কলা মূলা দেখিয়ে আলোকিত বাংলাদেশের আয়ের অর্থ ইচ্ছে মতো লুটে নিচ্ছে।

জানা গেছে, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম সুস্থ অবস্থায় দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে অসুস্থতা জনিত কারণে গত ২ বছর আগে এপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

তবে তার এ পদত্যাগ সম্পর্কে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে কোনো তথ্য নাই। ডাম সুত্র জানায় কাজী রফিকুল আলমের পদত্যাগ নিয়ে ডাম প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান কৌশলী শয়তানী করে চলছেন। লুট করছেন নিজেরা আর পত্রিকার প্রিন্টার্স লাইনে নাম ছেপে দায়-ভার কাজী রফিকুল আলমের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

পত্রিকাটির কোনো দায়িত্ব নাই বলে গোলাম নিজেই সব কিছুই করে যাচ্ছেন গোপনে, কিন্তু এক জায়গায় লিখিতভাবে জানিয়েছেন তিনি আলোকিত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান।

বাটপারের মুখোশ পড়া দুর্নীতিবাজ ভন্ড গোলামের গোপন নির্দেশনায় তার মাইম্যান আজাদ যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া নম্পদ লুটেপুটে খাচ্ছেন গোলাম সিন্ডিকেট। তিনি বলে রেড়ান কিছু জানেনা, করেননা। গোলাম রহমানসহ তার চোর সিন্ডিকেট নিয়ে আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!