বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

ডেইলি খবর ডেস্ক: বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। এজন্য আনোয়ার ইব্রাহিম তার দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে জানাবেন বলে তারেক রহমানকে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আমরা আশা করছি দুই সপ্তাহ পর ত্রুটিপূণ ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি (এফএসআরইউ) পুরোপুরি চালু করা যাবে। গ্যাস সংকটে সমস্যার গুরুত্ব অনুভব করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২৭ জুলাই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি চিঠি লিখেন। যা আজ আমাদের শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে হস্তান্তর করেছেন। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। দেশের চলমান এই গ্যাস সংকটে তিনি মালয়েশিয়া সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রীকে আস্বস্ত করেছেন তার এবং মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে এই সংকট নিরসনে যা কিছু করার সুযোগ রয়েছে, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার দল ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করবেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ মুহূর্তে দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে গ্যাস সংকটের সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই অঞ্চলে এক্সিলারেট এনার্জির যারা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের নিয়ে আজ সকালে আলোচনা হয়েছে। সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিজ কাশিমের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছি। তাদের কর্মপরিকল্পনা শোনার পাশাপাশি আমাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে সঠিকপথে এই সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন। এই আলোচনায় আমরা কিছুটা হলেও আস্বস্ত হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সারা বাংলাদেশে যে গ্যাসের চাহিদা তা আমরা দুইভাবে পূরণ করে থাকি। একটি হচ্ছে আমাদের গ্যাস খনিগুলো থেকে উত্তোলনকৃত গ্যাস দিয়ে আর বাকি গ্যাস আমদানিকৃত এলএনজিকে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটের মাধ্যমে তা গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে থাকি। গত সপ্তাহ থেকে একটি এফএসআরইউতে ত্রুটি ধরার পড়ার পর বড় ধরনের দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমদানিকৃত গ্যাস এলএনজিতে রূপান্তর করতে পারছি না। এজন্য গত কিছুদিন যাবৎ গ্যাস সরবরাহ কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে। এতে আবাসিক, শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎখাত ও যানবাহনের ক্ষেত্রে কষ্ট করতে হচ্ছে। জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএল নিরবচ্ছিন্নভাবে এক্সিলারেট এনার্জির, যারা এফএসআরইউটি পরিচালনা করেন তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও এই ঘটনায় প্রতি মুহূর্তে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।সংগৃহীত ছবি

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!