আইন অপরাধ ডেস্ক: অসুস্থ অবস্থায় ছুটিতে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকীর বেতন-ভাতা বন্ধ রেখেছে মানবতার মুখোশ পরা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সন্ত্রাসীচক্র।
জানা গেছে কোনো কারণ ছাড়াই গায়ের জোড়ে সন্ত্রাসী নিয়ে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের অফিস রুমেও তালা দিয়েছে।অফিসে যাতায়াতের গাড়ি বন্ধ করে দিয়েছে,অফিস করতেও দিচ্ছেনা,চাকরীচ্যুতও করছেনা, বকেয়া বেতনও দিচ্ছেনা। উল্টো হামলা-মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে সন্ত্রাসীচক্র। যাকে কর্তৃপক্ষ বলে বেতন বন্ধ রাখার কথা বলা হচ্ছে তিনিও অর্ধমৃত।
আলোকিত বাংলাদেশের সুত্রগুলো জানায়,ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ারম্যান/সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অবৈধ হুকুমে সন্ত্রাসীচক্র বেতন বন্ধ করেছে ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের।
জানা গেছে সভাপতি গোলাম রহমানের মাইম্যান নামে খ্যাত সন্ত্রাসী চরিত্রের ঢাকা আহছানিয়া মিশনের হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদকে আলোকিত বাংলাদেশে ডেপুৃটেশনে পদায়ন করে এসব অপকর্ম সন্ত্রাসী-দখলদারিত্ব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।যখনই বকেয়া বেতন-ভাতা চাওয়া হয় তখনই হামলা-মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের এসব সন্ত্রাসীরা।
জানা গেছে বকেয়া বেতন প্রদানের জন্য দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে শামীম সিদ্দিকী তার আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেছেন।
এদিকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আবু সায়িদ শামীম সিদ্দিকীর আইনজীবীর লিগ্যাল নোটিশের জবাব দিয়েছেন। নোটিশের জবাবে ভুল তথ্য সন্নিবেশীত করা হয়েছে। এতে ৮ম ওয়েজবোডের স্থায়ী চাকরীকে টেম্পুরারি জব বলা হয়েছে।
জানা গেছে জবাবে আরও বলা হযেছে ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের চাকরি বহাল থাকা সত্বেও চাকুরি নেই বলা হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে চাকরি থেকে বাদ দিল কে? টার্মিনেশন লেটার উকিল সাহেব পেলেন কোথায়?
প্রতারকচক্রের সরবরাহ করা বানানো সব অবাস্তব তথ্য দিয়ে লিগ্যাল নোটিশের জবাব আসেছে।তাতে ভুল ও মিথ্যার বেসাতির বয়ান উপস্থাপন করা হয়েছে।
আইনজীবীকে এসব ভুল তথ্য আলোকিত বাংলাদেশের অবৈধ ব্যক্তি ও প্রতারকচক্র সরবরাহ করেছে বলে জানা গেছে।এবং শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ না করে আইনজীবীকে ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী ডেইলি খবরকে জানান ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অস্থায়ী হিসাব রক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে হিসাব বিভাগে কাজ করার জন্য ডেপুটেশনে আমার কাছে প্রেরণ করা হয়।
আজাদ হিসাব বিভাগের কাজে যোগ দিয়েই নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করে।এতে প্রতিষ্টানের নানা রকম দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে।
এমতাবস্থায় প্রতিষ্টানের সুনাম রক্ষার্থে হিসাব রক্ষক আজাদকে ফেরত নিতে মৌখিক ও লিখিতভাবে ঢাকা আহছানিয়া মিশনকে বলা হয়।কিন্তু আজাদকে ফেরত না নেওয়ায় আজাদ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে।বলা হয় পত্রিকাটি ঢাকা আহছানিয়া মিশনেরই অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান।
এই অবস্থায় কোনো দ্বন্ধ-সংঘাতে না জড়িয়ে আমিও অফিসে না গিয়ে বাসা থেকেই কাজ করি।এবং এসময়ে আমি একাধিক ছুটির আবেদন দিয়েও কোনো সারা পাইনি।খোজ নিযে জানতে পারি আমার ছুটির আবেদনগুলো গায়েব করে ফেলা হয়েছে।সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম সাহেবের কাছে ছুটির একটি আবেদনও পৌছানো হয়নি।
এদিকে খোজ নিয়ে আরও জানতে পারি টানা আড়াই বছর যাবত গুরুতর অসুস্থ হয়ে এখন মৃত্যুশয্যায় আছেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম।যার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনো এখনো ছাপা হচ্ছে।
জানা গেছে মৃত্যুশয্যায় গুরুতর অসুস্থ সম্পাদকের অনুমোদন না নিয়ে বিপুল পরিমান খরচ করাসহ মোক্ষম সুযোগে বহিরাগত এ প্রতারক ডেপুটেশনে এসে সিন্ডিকেট করে লুটেপুটে খেয়ে যাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ।
অভিযোগ ও প্রশ্ন হচ্ছে,ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অঙ্গ-প্রতিষ্টানে একজন বহিরাগত কর্মচারি ডেপুটেশনে কাজ করতে এসে মালিক হলেন কিভাবে?মামলা করলেন কিভাবে?কোন কর্তৃপক্ষ এসব বেআইনী নির্দেশ দিচ্ছে।কেনো দিচ্ছে? পাওনা আটকাতে শয়তানের রাস্তায় প্রবেশ করছে ডাম!
প্রশ্ন হচ্ছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনে হিসাব রক্ষক পদে আবুল কালাম আজাদের অস্থায়ী চাকুরী নিয়ে আলোকিত বাংলাদেশে ডেপুটেশনে এসে কিভাবে স্থায়ী চাকুরী করছেন? কে স্থায়ী করলো?
যেহেতু তিনি হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ঢাকা আহছানিয়া মিশনের।চাকুরীও মিশনের স্থায়ী নয়,চুক্তির মেয়াদও উওীর্ণ।আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমের নিয়োগপ্রাপ্ত না হয়েও গত ২ বছর যাবত কাজ করছেন কিভাবে? অনুমোদন দিল কে?
গুরুতর অসুস্থ অর্ধমৃত সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমকে অন্ধকারে রেখে গত দুই বছর যাবত কৌশলে পত্রিকাটির আয় লুটে নিচ্ছে।একাধিকবার অভিযোগ উঠার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন ?
সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান নিজে সুবিধা নিয়ে আজাদকে দিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ডে ও লুটপাটে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।গোলাম রহমানের বিরুদ্ধেও রয়েছে দুর্নীতির এন্তার অভিযোগ।এবং ফ্যাসিবাদের দোসর।
সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম) আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড করে পত্রিকাটি প্রকাশ করে। বর্তমানে এর পরিচালনা পর্ষদ নিস্ক্রিয়।
এদিকে ব্যবস্থাপনা সম্পাক আরও জানান বকেয়া বেতন-ভাতা চেয়ে এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে একাধিকবার আবেদন/চিঠি দেওয়া হলেও আলোকিত বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ হিসাবে দাবিদার ঢাকা আহছানিয়া মিশন কোন ব্যবস্থা না নিয়ে হিসাব রক্ষক ডেপুটেশন আজাদকে দিয়েই অবৈধ সব কর্মকান্ড করিয়েছেন।যা এখনো চলমান।
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে আমার চাকরী স্থায়ী এবং সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৮ম ওয়েজবোডে নিযোগপ্রাপ্ত।বর্তমানে চলছে ৯ম ওয়েজবোড। সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আমার নিযোগ।
আমাকে টার্মিনেশন করাসহ যে কোনো চিঠি সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃৃক নির্ধারিত,অন্য কেউ নয়,ডেপৃটেশনে আসা কামলা তো বহুদুর।যা করা হচ্ছে সন্ত্রাসীপনা অন্যায় ও গায়ের জোড়ে।আমাকে চিঠি দেওয়ার জন্য এসময়ে সম্পাদক কাউকে দায়িত্ব দেননি।প্রতারণা ও লুটপাট করতে সম্পাদক পদত্যাগ করেছেন বলে প্রচার করা হচ্ছে গত দু বছর ধরে।
শামীম সিদ্দিকী আরও বলেন আমি সর্বশেষ দৈনিক ইনকিলাবে স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ছিলাম।অভিজ্ঞতার আলোকে দৈনিক ইনকিলাব থেকে সর্বশেষ দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় আমাকে খুজে এনে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব,কাজী রফিকুল আলম সাহেব।
আমি নিয়োগ পেয়ে পত্রিকাটির ব্যবসার প্রসার বাড়াতে সরকারী তালিকায় টপ ১০-এ নিয়ে আসছিলাম।এসময়ে পত্রিকাটি কোটি কোটি টাকার অতিরিক্ত সরকারী-বেসরকারী বিজ্ঞাপন পেয়েছে।আয় বেড়েছে।
এছাড়াও অফিসের অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে পত্রিকাটির আয়-ব্যয় সমন্বয় করে প্রতিষ্টানে কর্মরতদের নিয়মিত বেতন-ভাতা ও বোনাস প্রদান করেছি।
আমার ব্যবস্থ্পানায় প্রতিষ্টানটি ভালো চলছিল সফলতা পেয়েছিল,সফলতার জন্য অফিসের সমস্ত বিভাগ থেকে লিখিতভাবে দেওয়া চিঠি প্রমাণ স্বরুপ আমার কাছে রয়েছে।এবং সফলতার সুনাম অর্জন নিয়ে সম্পাদক ও প্রকাশক লিখিতভাবে আমার প্রশংসা করেছেন ও ধন্যবাদ দিয়েছেন।
আলোকিত বাংলাদেশের পক্ষে শ্রমিকের ন্যয্য পাওনার বিরুদ্ধে মামলায় লড়তে তরুণ আইনজীবী মিডিয়া বান্ধব এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে ফের নিয়োগ করে মিথ্যার বয়ান তৈরী করেছে।
এতে আমাকে হেয় করতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন থেকে ডেপুটেশনে এসে একজন কেরানীর সমতুল্য ব্যক্তি দেশের একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়নের সাবেক নেতাকে চাকরীচ্যুতির কারণ দর্শাও নোটিশ দেওয়ার সাহস ক্ষমতা পেল কোথা থেকে?
যেখানে সম্পাদক ও প্রকাশক প্রায় আড়াই বছর যাবত অর্ধমৃত অবস্থায় বিছানায় আছেন। প্রশ্ন হচ্ছে সম্পাদকের স্বাক্ষর করছে কে?
আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম কর্তৃৃক আলোকিত বাংলাদেশের প্যাডে যার নিয়োগ হযনি তিনি কিভাবে আলোকিত বাংলাদেশের সর্বময় ক্ষমতাধারী হয়?
আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড নিস্ক্রিয় থাকা সত্বেও কিভাবে নিয়োগ বিধি হচ্ছে-চলছে? সবই প্রতারকচক্রের প্রতারণা।
তাই আমি এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে বলবো শ্রমিকের পাওনা আদায়ে সহযোগীতা করতে,বিরুদ্ধে নয়।এর আগে গত ১২ বছরে আলোকিত বাংলাদেশে কর্মকালীন বহু সংবাদকর্মিকে নানাভাবে ছাটাই করাসহ হয়রানি হেয় করা হয়েছে।
পাওনা আদায় নিয়ে বহু মামলা হয়েছে।সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়ন আলোকিত বাংলাদেশে ও ঢাকা আহছানিয়া মিশনে বহুবার ঘেরাও কর্মসুচি পালন করেছে।
এসব মামলা নিয়ে ব্যারিস্টার জাফরউল্লাহ সাহেব ও এ্যাডভোকেট আবু সায়িদ মামলায় লড়েছেন।কিন্তু উকিল ফি/বিল পর্যন্ত আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক দেয়নি।ফলে প্রায়ই আদালত থেকে সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোনা জারি করা হত।
আমার জানা মতে আলোকিত বাংলাদেশের কাছে অতীতে সাংবাদিকদের পাওনা নিয়ে দায়ের হওয়া শ্রম আদালতের মামলার এ্যাডভোকেট আবু সায়িদের প্রচুর বিল বকেয়া পাওনা আছে।এরপরেও মামলা দায়ের করা প্রতিটি সংবাদকর্মি জয়লাভ করেছে। এবং আলোকিত বাংলাদেশ থেকে পাওনা আদায় করে নিয়েছে। এখনো কিছু বকেয়া আছে।
ডাম সুত্র জানায়,খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি দুর্নীতিবাজ হিসাবেখ্যাত প্রফেসর ড.গোলাম রহমান ফ্যাসিবাদের দোসর সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের মাধ্যমে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমকে হটিয়ে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করেন।
চেয়ারে বসেই গোলাম রহমান সাথে ডামের কোম্পানি সেক্রেটারি ঘুষে অডিট ঠিকাদার রফিকুজ্জান রফিক ও তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে ঢাকা আহছানিয়া মিশনে রামরাজস্ত কায়েম করে লুটেপুটে খাচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্টানের কর্মরত যারাই গোলাম-আজাদ-রফিক চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তাদেরকেই চাকুরীচ্যুত করাসহ হুমকী-ধামকী দেওয়া হয়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের ডামের নামে রেখে যাওয়া সম্পদ মানবতার সেবার মুখোশ পরে ভন্ড গোলাম সিন্ডিকেট লুটপাট করছে।
বাসার বাজার থেকে শুরু করে চিকিৎসার খরচ সবই নিয়ে চেটেপুটে খাচ্ছেন খুলনা বিশ^বিদ্যাণয়ের সাবেক ভিসি এই দুর্রীতিবাজ গোলাম রহমান।
এদিকে সুত্র জানায় ডেইলি খবরে ডামের প্রতারকচক্রের হোতা ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে এর সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলার জন্য আদালত থেকে সমন জারি করিছে ভন্ড গোলামচক্র।

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :