ডেইলি খবর ডেস্ক: কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে রপ্তানি ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যে’ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেবে।
আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সাদ আল-কাবি দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) বলেন, যদি যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রভাবিত হবে। সবার জ্বালানির দাম আরও বাড়বে। কিছু পণ্যের ঘাটতি দেখা দেবে এবং কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং তার উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো শুরু করে। এতে গত সোমবার কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।
ইরান জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা করেছে, যার ফলে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতার বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করে এবং এশীয় ও ইউরোপীয় বাজারে পণ্যের চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সাক্ষাৎকারে কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি বলেন, যুদ্ধ অবিলম্বে শেষ হলেও কাতারের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সপ্তাহ থেকে মাস পর্যন্ত সময় লেগে যাবে।
ব্রাসেলস ইনস্টিটিউট ফর জিওপলিটিক্সের এনার্জি ফেলো থিজস ভ্যান ডি গ্রাফ বলেন, যুদ্ধের কারণে কৌশলগত উপসাগরীয় জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদক দেশগুলোর যারা এই রপ্তানি রুটের ওপর নির্ভর করে, তাদেরকে উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। যেমন ইরাক ইতোমধ্যেই দুই বা তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্রে উৎপাদন বন্ধ করেছে। এর দীর্ঘমেয়াদী ও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, কারণ লাইটের সুইচের মতো তেলের কূপ চালু ও বন্ধ করা হয় না।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :