ডেইলি খবর ডেস্ক: শুক্রবার রাতে ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ১২২’ ব্যবহার করে নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে মূলত সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত ‘আইইইপিএ’ আইনের অধীনে থাকা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্কের শূন্যস্থান পূরণ করা হবে।
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞার পর দমে না গিয়ে বিকল্প পথে হাঁটছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আইনি জটিলতায় বাতিল হওয়া শুল্কের পরিবর্তে আগামী মঙ্গলবার থেকে ১৫০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। খবর রয়টার্স।
শুক্রবার রাতে ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ১২২’ ব্যবহার করে নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে মূলত সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত ‘আইইইপিএ’ আইনের অধীনে থাকা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্কের শূন্যস্থান পূরণ করা হবে।
তবে বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি, যাত্রীবাহী গাড়ি, মেক্সিকো, কানাডার চুক্তিসংগত পণ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ কিছু খাতে আগের ছাড় বহাল থাকবে।
ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, নতুন শুল্ক ও সেকশন ৩০১ এবং ২৩২–এর সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যবস্থায় ২০২৬ সালে সরকারের শুল্ক আয় প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। তার মতে, সুপ্রিম কোর্টের রায় ট্রাম্পের আলোচনার ক্ষমতা কিছুটা কমালেও বিকল্প আইনি পথ তাদের হাতে আছে।
সেকশন ১২২–এর এই ক্ষমতা আগে কখনও ব্যবহার হয়নি। আইনটি প্রেসিডেন্টকে ১৫০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুযোগ দেয় কোনো তদন্ত ছাড়াই। ১৫০ দিনের পর কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
ট্রাম্প জানান, প্রশাসন শিগগিরই সেকশন ৩০১–এর অধীনে নতুন তদন্ত শুরু করবে, যাতে ‘অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা’র বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেয়া যায়। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে চীন ও ব্রাজিলের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের পাশাপাশি অন্যান্য বড় বাণিজ্য অংশীদারও যুক্ত হতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী গত এক বছরে আদায়কৃত প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক ফেরতযোগ্য হতে পারে। তবে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন বিষয়টি আদালতে ‘বছরের পর বছর’ ঝুলে থাকতে পারে।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :