সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

হরমুজ প্রণালিতে এবার সামরিক জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:১১ এএম

হরমুজ প্রণালিতে এবার  সামরিক জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

ডেইলি খবর ডেস্ক: ইরান অংশের হরমুজ প্রণালিতে সামরিক জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের কোনো চেষ্টা করলে বিদেশি সামরিক জাহাজকে ‘কঠোর ও শক্ত জবাব’ দেওয়া হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর ‘পূর্ণ ও বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ বজায় রেখেছে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে শুধু বেসামরিক জাহাজগুলোকেই চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার দাবিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করা হয়। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে তা ‘নির্ণায়ক ও কঠোর প্রতিক্রিয়ার’ মুখে পড়বে।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর তাদের প্রতিপক্ষ ও মিত্রদের জন্য এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেল এবং ২০ শতাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা লেগেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড খাতাম আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড হেডকোয়ার্টারস জানিয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নির্দেশনায় হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা এখন ‘নতুন পর্যায়ে’ প্রবেশ করবে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রোববার (১২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি তাদের ‘অসাধারণ আতিথেয়তা’র জন্য প্রশংসা করে বলেন, আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তার জন্য পাকিস্তান দায়ী নয়।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, গত ২১ ঘণ্টা ধরে আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এই মুহূর্তে এটাই ভালো খবর। তবে তিনি স্বীকার করেন, খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারিনি। আর এটা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি খারাপ খবর।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ বা অগ্রহণযোগ্য সীমারেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া সম্ভব এবং কোন বিষয়ে নয়, তা পরিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু ইরান সেই শর্ত মেনে নেয়নি বলেই চুক্তি হয়নি। ছবি: সংগৃহীত

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!