মঙ্গলবার, ০৫ মে, ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩

ফের বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

ফের বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

 ডেইলি খবর ডেস্ক: হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও স্বর্ণের দাম একলাফে অনেকটা বেড়ে গেছে। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দুই দেশের পাল্টাপাল্টি সামরিক অবস্থান ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। খবর আলজাজিরার। সোমবার (৪ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক দিনেই প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৪ দশমিক ৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে কিছুটা কমে এটি ১১৩ দশমিক ৫৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। 
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এ পর্যন্ত ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। বাজারে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের ঘাটতি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  
মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর জবাবে তারা ইরানের ছয়টি ছোট নৌযান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভিত্তিহীন প্রচার’ বলে অভিহিত করেছে। 
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছেন। এর আওতায় মার্কিন নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পাহারা দিয়ে হরমুজ প্রণালি পার করে দেবে। তবে শিপিং কোম্পানিগুলো নিরাপত্তা শঙ্কায় এখনও এই পথে চলাচলে দ্বিধাবোধ করছে। আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ২ হাজার জাহাজে ২০ হাজারেরও বেশি নাবিক এই প্রণালিতে আটকা পড়ে আছেন।  
ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক এই অস্থিরতার প্রভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দামও বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা বর্তমান পরিস্থিতিতে শেয়ার বাজার বা মুদ্রার বদলে স্বর্ণে বিনিয়োগকে বেশি নিরাপদ মনে করছেন। দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক দিনে দফায় দফায় স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে কেবল তেল নয়, বরং গ্যাস ও সারের সরবরাহও ব্যাহত হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থবির করে দিতে পারে। ফাইল ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!