বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

এবার হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের রুট নিয়ে একমত ইরান ও ওমান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৬, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

এবার হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের রুট নিয়ে একমত ইরান ও ওমান

ডেইলি খবর আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি নির্দিষ্ট রুট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও ওমান। তেহরানের দাবি, এই চুক্তির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হরমুজ নিয়ে আলোচনা বেশ ভালোভাবে এগোচ্ছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ইরান ও ওমান প্রণালীটির মধ্য দিয়ে প্রস্তাবিত শিপিং রুটের ভৌগোলিক স্থান চূড়ান্ত করে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, এই চুক্তির বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি তৈরির কাজ চলছে, যেখানে প্রযুক্তিগত, আইনি, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়গুলো রয়েছে।তবে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এই প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত হবে না।জীবনধারা অনুষ্ঠান

এই চুক্তির মূল জটিলতা হলো— তেহরান এই জলপথের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে ফি আদায় করতে চায়, যা জাতিসংঘ কনভেনশনের নিয়মের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দাবি, এই জলপথে সবার অবাধ চলাচল থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রকে “তৃতীয় পক্ষ” উল্লেখ করে ইসমাইল বাঘেই বলেন, কোনো বাধা না থাকলে দুই দেশ (ইরান ও ওমান) মিলে মূল বিষয়গুলো নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে। একই সঙ্গে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, মার্কিন নৌ অবরোধ ও ইরানের বিরুদ্ধে অন্যান্য পদক্ষেপ বহাল থাকা অবস্থায় কেবল এই চুক্তি চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না।

ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীতে একটি “মিডল করিডোর” বা মধ্য করিডোর তৈরি করা হবে, যা ইরান ও ওমান নিয়ন্ত্রণ করবে। তেহরান দাবি করছে, এই আলোচনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং প্রণালী খোলা মার্কিন আচরণের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান যে যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনার অংশ এবং তা খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রণালীটি খুব দ্রুত খুলে দেয়া হবে, অন্যথায় কঠোর হামলার মুখোমুখি হতে হবে।সংবাদ প্রতিবেদন

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটটি বন্ধ করে দেয়, যা বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের প্রায় এক চতুর্থাংশ বহন করে। ফাইল ছবি,সূত্র- ইউরো নিউজ

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!