আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১০৩ জন নিহত হয়েছেন। আর নিখোঁজ রয়েছেন ৮৪৪ জন। খবর বিবিসি ও আনাদোলুর।দেশটির পুলিশের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ২৮টি দেশের ৪৬৬ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। আর নেপালের রয়েছেন ১১৩ জন। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ৫৪ জন যুক্তরাষ্ট্রের এবং ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক। এ ছাড়া চীনের তিব্বতে ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে রাসুয়ায় একটি, নুয়াকোটে ১১টি, ধাদিংয়ে ১৮টি, চিতওয়ানে ৩৩টি, গোরখায় ১৯টি, তানাহুনে সাতটি এবং নাওয়ালপুরে ১১টি রয়েছে। আর চীনের তিব্বতে অন্তত তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার।
পুলিশ জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হওয়ায় নিখোঁজ ও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংসদে বক্তব্য দেয়ার সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তী সময়ে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি সংলগ্ন চীন অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে।
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে নেপালের ২৬ জন পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তাও নিখোঁজ রয়েছেন।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :