শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

মধ্যপ্রাচ্যের উওেজনায় লাগামহীন জ্বালানি তেলের দাম, বিপাকে ট্রাম্প

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের উওেজনায় লাগামহীন জ্বালানি তেলের দাম, বিপাকে ট্রাম্প

ডেইলি খবর ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে ইরানি তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। 
বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব জরুরি মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়তে পারে।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রশাসনের অবগতিতেই ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে সহায়তা করছে।
প্রসঙ্গত, ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বাজার চরম অস্থির হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে।
তেলবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মানদণ্ড তেল (যেমন- ওমান ও দুবাই ক্রুড) এরই মধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট না হলেও ২০০ ডলার এখন আর দূরের নয়।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম প্রায় ১৪০ শতাংশ বেড়ে প্রতি থার্ম (২ দশমিক ৮ ঘনমিটার) ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স বা ২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে দেশটিতে গ্যাসের দাম আর কখনো এতটা বাড়েনি। সুত্র-বিবিনি,সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!