ডেইলি খবর ডেস্ক: লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছে। গত জুন মাসে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে শত্রুতা হ্রাস করার লক্ষ্য নিয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তির পর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরের এই হামলাটি ছিল দক্ষিণ লেবাননে তাদের সৈন্যদের ওপর ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর (হিজবুল্লাহ) করা একটি হামলার পাল্টা জবাব।
এমন এক সময়ে এ হামলার ঘটনা ঘটল, যখন আগামী মাসের শুরুতে রোমে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে অষ্টম দফার প্রত্যক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
গত জুনে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় দুই পক্ষ একটি রূপরেখা চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, শনিবারের এই চুক্তি লঙ্ঘন এবং হামলা মূলত আলোচনা প্রক্রিয়া এবং চুক্তিটি বাস্তবায়নে মার্কিন প্রচেষ্টার ওপর একটি স্পষ্ট বার্তা।
হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলি এই হামলার ‘উপযুক্ত’ জবাব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা লেবানন কর্তৃপক্ষকে প্রত্যক্ষ আলোচনার এই অপমানজনক পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, শনিবার ভোরে ইসরায়েল দক্ষিণাঞ্চলে তাদের হামলা জোরদার করেছে। তারা আনসার গ্রামের একটি বাড়িতে বিমান হামলা এবং নাবাতিয়ে অঞ্চলের ওপর অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা `আলি আল-তাহের রিজ`-কে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক বিমান হামলার খবর দিয়েছে।
সংবাদ সংস্থাটি পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দেইর জাহরানিতে আরেকটি হামলার খবর জানায়।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আনসারে তিন শিশু ও দুই নারীসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। অবশ্য লেবাননের প্রেসিডেন্ট আউন জানান, হামলায় একটি পরিবারের সবাই প্রাণ হারিয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দেইর জাহরানিতে নতুন করে চারজন নিহত এবং এক শিশু ও ১১ নারীসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন।ছবি: সংগৃহীত

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :