রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

ফের কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে ভয়াবহ আগুন

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

ফের কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে ভয়াবহ আগুন

ডেইলি খবর ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে আগুন ধরে যায়। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূলত অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া ঘন ঘন হামলার সাইরেন বাজায় পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
সংবাদমাধ্যম সেভেন নিউজ বলছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকে আঘাত লেগে বড় ধরনের আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিমানবন্দরের একটি বড় অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীকে কয়েক ঘণ্টা ধরে কাজ করতে হয়েছে। এই আগুনে বিমানবন্দরের রাডার ব্যবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তবে বিস্ফোরণে কোনও প্রাণহানি হয়নি।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের আকাশে অন্তত ১৫টি ড্রোন শনাক্ত করেছে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর মধ্যে কিছু ড্রোন বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ চলাকালে ইরান-সমর্থিত ড্রোন একাধিকবার কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং যাত্রী টার্মিনালেরও ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে আল জাজিরা আরবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতে বিমান হামলার সতর্ক সংকেত হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়েছে। স্থানীয় সময় মধ্যরাতের পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো বাজানো হয়।
শনিবার কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, একাধিক ড্রোন হামলার কারণে বিমানবন্দরে আগুন লাগে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও সাইরেন বাজিয়ে সম্ভাব্য নতুন হামলার সতর্কতা দেয়া হয়।
কুয়েত সিটিতে চলমান এই যুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই এমন সতর্ক সংকেত শোনা যাচ্ছে এবং এটি কার্যত এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল, বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় রাডার ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!