বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

মার্কিন নাগরিকদের এবার দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের ১৫টি দেশ ছাড়তে বলল যুক্তরাষ্ট্র

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

মার্কিন নাগরিকদের এবার দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের ১৫টি দেশ ছাড়তে বলল যুক্তরাষ্ট্র

ডেইলি খবর ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা তীব্র হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের এক ডজনের বেশি দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সৌদি আরব, কাতারসহ ১৫টি দেশের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুরোপুরি সচল না থাকায় কীভাবে মার্কিন নাগরিকরা এই অঞ্চল ছাড়বেন তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় সোমবার দেয়া এই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও কাতারসহ অঞ্চলটির ১৫টি দেশ থেকে যত দ্রুত সম্ভব চলে যেতে হবে। এর আগে কয়েক দিনে বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদা করে ভ্রমণ–সতর্কতা জারি করে ওইসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।
সর্বশেষ সতর্কতা প্রযোজ্য হবে বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেনের ক্ষেত্রে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেয়া এক বার্তায় কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরাহ নামদার বলেন, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তালিকাভুক্ত দেশগুলো থেকে বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের ‘এখনই চলে যেতে’ হবে।এর আগে সোমবার সকালের দিকে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানায়, হুমকির কারণে তাদের কর্মীরা কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেছেন।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি প্যাটি কালহানে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এভাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ঘোষণা দেয়া অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, সাধারণত সরকারি নীতিগত ঘোষণা এভাবে দেয়া হয় না। বিদেশে থাকা নাগরিকদের সতর্ক করার জন্য পররাষ্ট্র দপ্তরের নিজস্ব প্রক্রিয়া রয়েছে। এবার সেই প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।
কালহানে আরও বলেন, এটি আনুষ্ঠানিক সরকারি নীতির ঘোষণা কি না তাও এখনও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকরা কীভাবে এই অঞ্চল ছাড়বেন, সেটিও বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার ইরানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ অনেক কর্মকর্তা নিহত হন। এর জবাবে তেহরানও অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা চালায়।
হামলা ও পাল্টা-হামলার এই পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তবে এটি আরও দীর্ঘায়িতও হতে পারে।সংগৃহীত ছবি

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!