রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২

ভূমধ্যসাগরে ফের লিবিয়া ও গ্রিসে ৮ মরদেহ উদ্ধার

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম

ভূমধ্যসাগরে ফের লিবিয়া ও গ্রিসে ৮ মরদেহ উদ্ধার

ডেইলি খবর ডেস্ক: ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে আবারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। লিবিয়ায় পাঁচজন আশ্রয়প্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আলাদা ঘটনায় গ্রিসের উপকূলে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির কাছে কাসর আল-আখিয়ার উপকূলে শনিবার স্থানীয় বাসিন্দারা পাঁচটি মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে। কর্মকর্তারা জানান, মরদেহগুলোর মধ্যে দুজন নারী ছিলেন। এলাকাবাসী একটি শিশুর মরদেহও ভেসে আসতে দেখেছেন, তবে ঢেউয়ে সেটি আবার সাগরে চলে যায়।
এর কয়েক সপ্তাহ আগে পশ্চিম লিবিয়ার জুয়ারা উপকূলে একটি রাবারের নৌকা ডুবে অন্তত ৫৩ জন অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হন বলে জানিয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন।
এদিকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে একটি কাঠের নৌকা ডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্তত ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের বেশিরভাগই মিসর ও সুদানের নাগরিক, তাদের মধ্যে চারজন অপ্রাপ্তবয়স্কও রয়েছে।
গ্রিক উপকূলরক্ষী বাহিনী জানায়, উদ্ধার অভিযানের সময় যাত্রীরা নৌকা থেকে ওপরে ওঠার চেষ্টা করলে সেটি উল্টে যায়। নিখোঁজদের খোঁজে টহল নৌকা, একটি বিমান এবং ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের জাহাজ অভিযান চালাচ্ছে।
প্রতি বছর হাজারো মানুষ লিবিয়া থেকে ইউরোপে পৌঁছাতে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বেছে নেন। ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালানো মানুষের জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে ইউরোপে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ১৬ হাজার ৭৭০ জনের বেশি মানুষ ক্রিটে পৌঁছেছেন। একই বছরে গ্রিসের জলসীমায় ১০৭ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি এক জাতিসংঘ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিবিয়ায় অবস্থানরত অভিবাসীরা হত্যা, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছেন। মানবাধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত লিবিয়ায় অভিবাসী ফেরত পাঠানো বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ছবি : সংগৃহীত

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!