বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন:চূড়ান্ত ফল জানতে লাগতে পারে আরও কয়েক সপ্তাহ, এরপর যা ঘটবে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন:চূড়ান্ত ফল জানতে লাগতে পারে আরও কয়েক সপ্তাহ, এরপর যা ঘটবে

ডেইলি খবর ডেস্ক: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটরা পেয়েছেএটি এখন স্পষ্ট। তবে বেশ কয়েকটি আসনের ভোট গণনা এখনো শেষ হয়নি।
আলাস্কা ও মিসিসিপির সিনেট নির্বাচনসহ প্রতিনিধি পরিষদের কয়েক ডজন আসনের ফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি। ফলে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সরকারি ফল জানতে আরও কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।

ক্যাম্পেইন লিগ্যাল সেন্টারের (নির্বাচনী আইনবিষয়ক সংস্থা) মতে, নির্বাচনের পর কয়েকটি আইনি ও প্রশাসনিক ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। এগুলো হলো ভোট গণনা ও যাচাই, ফলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়িত্ব গ্রহণ।
ভোট গণনা ও যাচাইয়ের সময় স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের এলাকায় দেয়া সব ভোট গণনা করেন। এর মধ্যে আগাম ভোট, ডাকযোগে পাঠানো ভোট এবং নির্বাচনের দিন দেয়া ভোটও অন্তর্ভুক্ত থাকে। এরপর প্রতিটি অঙ্গরাজ্য নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা কংগ্রেসে পাঠায়।

দ্বিদলীয় নীতি কেন্দ্রের (বিপার্টিসান পলিসি সেন্টার) তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সাধারণত ওয়াশিংটন ডিসিতে যান। সেখানে নতুন সদস্যদের জন্য আয়োজিত পরিচিতিমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেন তারা।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের পর নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হবে জানুয়ারির প্রথম দিকে।

ক্যাম্পেইন লিগ্যাল সেন্টার জানিয়েছে, কংগ্রেসের প্রথম দিনেই প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা নতুন স্পিকার নির্বাচন করবেন। স্পিকার হতে হলে ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পেতে হবে।
প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্রেটদের নেতা হাকিম জেফরিসই পরবর্তী স্পিকার হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার সহকর্মী ডেমোক্রেটদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন।
স্পিকার নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সিনেটর এবং প্রতিনিধি পরিষদের সব সদস্য শপথ নেবেন। এরপরই তাদের মেয়াদ শুরু হবে।

কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থা) তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের প্রথম দিন প্রতিনিধি পরিষদে বিভিন্ন কমিটিতে সদস্যদের দায়িত্ব দেয়ার প্রস্তাবসংবলিত প্রস্তাবও প্রায়ই গ্রহণ করা হয়। এই প্রক্রিয়া পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরেও চলতে পারে।
অন্যদিকে, সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘু দলের নেতা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় কর্মকর্তাদের নির্বাচন করা হয় নিজ নিজ দলের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ ভোটে। বিপার্টিসান পলিসি সেন্টার জানিয়েছে, এ নির্বাচন সিনেটের মূল অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য তোলা হয় না।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!