বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ডেইলি খবর ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মভূমি ও শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুপুরের পর থেকেই মাশহাদ শহরের সব প্রধান সড়ক ও গলিপথ সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে ভরে উঠে। একটি সুসজ্জিত ট্রাকে করে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার কফিনটি ভিড়ে ঠাসা রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা লাখো শোকার্ত মানুষের চোখে-মুখে ছিল গভীর শোকের ছায়া।


কালো পোশাকে আবৃত এই বিশাল শোক মিছিলে উপস্থিত জনতা ইরানের জাতীয় পতাকা, প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ছবি এবং নানা স্লোগানসংবলিত লাল রঙের প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করছিলেন। শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী এই লাল প্ল্যাকার্ড ও পতাকাগুলো মূলত খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার হিসেবে বহন করা হচ্ছিল।

খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী ইমাম রেজা মাজার চত্বরে তাঁর জানাজা ও দাফনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়।


খামেনির দাফনে লাখো মানুষ, প্রতিশোধের স্লোগানে মুখর মাশহাদখামেনির দাফনে লাখো মানুষ, প্রতিশোধের স্লোগানে মুখর মাশহাদ
এদিকে, খামেনির দাফনের এই ঐতিহাসিক দিনেও পারস্য উপসাগর ও ইরানের উপকূলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এর আগে আজ তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে প্রতিশোধের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে মাশদাহের আকাশ-বাতাস। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন করতে তাঁর জন্মভূমি মাশহাদ শহরে সমবেত হন লাখ লাখ মানুষ। দীর্ঘ ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শেষে আজ তাঁর মরদেহ চিরনিদ্রায় শায়িত করার মধ্য দিয়ে এই আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি ঘটে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন নিহত হন খামেনি। ওই হামলায় খামেনির সঙ্গে তাঁর নাতনি, মেয়ে, জামাতা এবং ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রী জোহরা হাদ্দাদ আদেলও নিহত হন। তাঁদের সবাইকে আজ একই সঙ্গে দাফন করা হচ্ছে। এই হামলায় খামেনির উত্তরসূরি ও তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে এবং তিনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!