শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

হুতিদের গোপন যুদ্ধকৌশল, পাল্টা অভিযানে বড় চ্যালেঞ্জ সৌদি জোটের

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১২:২৮ পিএম

হুতিদের গোপন যুদ্ধকৌশল, পাল্টা অভিযানে বড় চ্যালেঞ্জ সৌদি জোটের

ডেইলি খবর ডেস্ক: ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি সৌদি-বিরোধী সমাবেশে হুতি ব্যানারের সামনে অবস্থানরত সশস্ত্র বন্দুকধারীরা। ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনে হুতিদের দখলে থাকা এলাকা পুনরুদ্ধারে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব ও তাদের মিত্ররা। এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য দক্ষিণাঞ্চলের মোখা শহর এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালীর কাছাকাছি এলাকাগুলো পুনর্দখল করা।

সানা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসুফ মাওরির মতে, সৌদি বিমান হামলা দিয়ে পাল্টা অভিযান শুরু হয়েছে। হামলার লক্ষ্য শুধু হুতিদের দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে গোষ্ঠীটির দখলে যাওয়া এলাকাগুলোও।

তবে হুতিরা এমন পাল্টা অভিযানের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। কারণ, গোষ্ঠীটি দীর্ঘদিন ধরে গোপন ও দ্রুতগতির যুদ্ধকৌশল ব্যবহার করে আসছে। কোনো এলাকা দখলের পর তারা সেখানে নিজেদের অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার লুকিয়ে ফেলতে সক্ষম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই কৌশল সৌদি আরবের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। কারণ, হুতিদের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের চেষ্টা অতীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলও করেছে। কিন্তু ব্যাপক সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তারা হুতিদের পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করতে পারেনি।

হুতিরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করে, সামরিক সরঞ্জাম গোপন করে এবং নজরদারি এড়িয়ে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মোখা ও এর আশপাশের এলাকা পুনর্দখল করতে হলে সৌদি আরব এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করছেন প্রতিবেদক। বিশেষ করে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্দখল করা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

বৃহস্পতিবার হুতিরা একটি বড় অস্ত্রভাণ্ডার দখল করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানগুলোও এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ফলে এসব এলাকা পুনর্দখলে শুধু বিমান হামলা যথেষ্ট নাও হতে পারে। হুতিদের সরিয়ে দিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান প্রয়োজন হতে পারে।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!