স্পোর্টস ডেস্ক: টুর্নামেন্টের সেরা ছন্দে আছে ভারত। বিশেষ করে তাদের ব্যাটাররা। সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই দলের বিপক্ষেই একের পর এক ক্যাচ ফেলল বাংলাদেশ। সেটার সদ্ব্যবহার করলেন ভারতীয় ব্যাটাররাও। তবুও মাঝে আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে বোলাররা কিছুটা চেপে ধরলেও শেষদিকে আবারও ব্যাটহাতে ঝড় তোলে ভারত। এতে দেড়শ ছোঁয়া পুঁজি গড়েছে ভারত।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নারী এশিয়া কাপে সেমিফাইনালে প্রথম ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করেছে ভারত। ফাইনালের টিকিট কাটতে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। এবারের আসরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১২৭ রান।
টস জিতে বোলিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ওভারেই ভারতীয় শিবিরে আঘাত হানে বাংলাদেশ। সুলতানা খাতুনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্মৃতি মান্ধানা। ৫ বল থেকে মোটে ২ রান করতে পারেন তিনি।
এরপর দ্রুতই আরও কয়েকটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। কিন্তু একের পর এক ক্যাচ মিসের পসরা সাজিয়ে বসে টাইগ্রেসরা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিকা রাউলকে সঙ্গে নিয়ে জুটি গড়েন শেফালি ভার্মা। প্রতিকা কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করলেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন শেফালি। দুজন মিলে গড়েন ৫০ রানের জুটি।
১০ম ওভারে প্রতিকাকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন রাবেয়া খান। ২৪ বলে ২০ রান করে দিলারা আক্তারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর শেফালি ভার্মাও বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারেননি। ১৪তম ওভারে তাকে ফেরান সুলতানা খাতুন। এর আগেই অবশ্য ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফেরেন ৪০ বলে ৬৪ রান করে।
এরপর আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে রানের গতি কিছুটা কমিয়ে আনে বাংলাদেশ। তবে সেই ধারা বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি টাইগ্রেস বোলাররা। শেষদিকে আবারও ঝোড়ো ব্যাটিং করেন রিচা ঘোষ আর দীপ্তি শর্মা। ১৬ বলে ২১ রান আসে রিচার ব্যাট থেকে আর ৬ বলে ১৩ রান দীপ্তির ব্যাট থেকে।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন সুলতানা খাতুন। একটি করে উইকেট নেন মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার আর রাবেয়া খান।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :