সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা হলো না বাংলাদেশের

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা হলো না বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক: দেশের মাটিতে শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিলেন শরীফুল ইসলাম। পরপর দুই ওভারে তিন উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বুকে কাঁপন ধরিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, দুই ওভারে দুই ক্যাচ মিসে অসিরা লাইফলাইন পায়। এরপর মুস্তাফিজুর রহমান এসে বোল্ড করেন বাংলাদেশের গলার কাঁটা কুপার কনোলিকে। সমীকরণ দাঁড়ায়, এক ওভারে অসিদের প্রয়োজন ৩ রান, বাংলাদেশের ১ উইকেট। তাসকিন আহমেদ এসে পারলেন না। ৩ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। 
মিরপুরে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে আজ রোববার (১৪ জুন) লড়াই জমিয়েও হারল বাংলাদেশ। ১ উইকেটের জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচ হারলেও বাংলাদেশ সিরিজ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।
শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ৪৯.৩ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৭ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া।
আগের দুই ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ম্যাচ হেরেছে অসিরা। সেই কারণেই কি না আজ শুরু থেকে আগ্রাসী দলটি। ৪.২ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪০ রান। জুটি ভাঙেন শরীফুল ইসলাম। অসি অধিনায়ক জস ইংলিসকে মোসাদ্দেকের ক্যাচ বানান শরীফুল। ১২ বলে ২১ করেন ইংলিস। একই ওভারে ম্যাট রেনশোকে বোল্ড করে খেলায় নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন শরীফুল।
১৬ বলে ৮ রান করা অ্যালেক্স ক্যারিকে তাসকিন আহমেদে ফেরালে ৭০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে দলকে একাই টেনে তোলেন কনোলি। ৪৯তম ওভারে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৩৪ বলে ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১৪৯ রান করেন কনোলি। যে ইনিংসটিই মূলত হারিয়েছে বাংলাদেশকে।
তৃতীয় ওয়ানডেতে নাহিদ রানার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন শরীফুল। সেটি কাজে লাগিয়েছেন তিনি। ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৪৮ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি। তাসকিন, মুস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী নেন একটি করে উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের চতুর্থ বলেই উইকেট বিলিয়ে দেন সৌম্য সরকার। ৪ বলে ২ রান করে হাভিয়ের বার্টলেটের বলে বোল্ড হন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ তামিম মিলে ৫১ রানের জুটি গড়েন। ৫০ বলে ২৪ রান করে ম্যাট রেনশোর বলে বোল্ড হন শান্ত। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তামিম, রেনশোকে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ২০ বলে ১৯ রান আসে তামিমের ব্যাট থেকে।এরপর হাল ধরেন হৃদয় ও লিটন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯২ রান আসার পর পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন। তিনি তখন ৪৮ রানে অপরাজিত। ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন। হৃদয়-মোসাদ্দেক জুটিতে আসে ৯৩ রান। 
সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে বেন দারউইশের বলে অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয়। ৮৮ বলে ৮ চারে ৮৩ রানে সাজান নিজের ইনিংস।
হৃদয় ফিরলে ফের নামেন শেখ মেহেদী। মাত্র ৩ রানে ফেরেন তিনি। পরবর্তীতে লিটন এসে তুলে নেন ফিফটি। ১১ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মিরপুরে প্রথমবার ফিফটির দেখা পান লিটন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৮ বলে ৫৮ রানে। চরটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। ৫১ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!