শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

বাংলাদেশ ১১৪ রানে অলআউট, হারল ১২৮ রানে

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১২:৫০ এএম

বাংলাদেশ ১১৪ রানে অলআউট, হারল ১২৮ রানে

স্পোর্টস ডেস্ক: হঠাৎ বৃষ্টিতে এলোমেলো বাংদেশের খেলা। প্রথম ওয়ানডেতে উড়ন্ত জয়ের পর সিরিজ নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে চিত্রনাট্য বদলে দিল পাকিস্তান। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ১১৪ রানেই অলআউট হয়ে ১২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা হয়েছে। 
আগে ব্যাট করে পাকিস্তান সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে। তবে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতেই হানা দেয় বৃষ্টি। ৩ উইকেটে ২৭ রান থাকা অবস্থায় খেলা প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এরপর বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান।সেই চ্যালেঞ্জ টপকাতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।
শুরুতেই টপ অর্ডার ধসে পড়ার পর লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় প্রতিরোধ গড়ার আভাস দিয়েছিলেন। তাদের জুটি থেকে আসে মূল্যবান ৫৮ রান। আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা লিটন ৩৩ বলে ৪১ রান করে মাজ সাদাকাতের শিকার হলে ভেঙে যায় এই জুটি। লিটনের বিদায়ের পরই শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল।
আগের ম্যাচে ব্যাটিং না পাওয়া আফিফ হোসেন আজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ১৫ বলে ১৪ রান করে সাদাকাতের শিকার হয়ে ফিরে যান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ৫ বল স্থায়ী ইনিংস খেলে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। ফাহিম আশরাফের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দেন টাইগার অধিনায়ক।
মিরাজের বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই রিশাদ হোসেনকে বোল্ড করে ফেরান সেই সাদাকাত। ১০১ রান তুলতেই বাংলাদেশ হারায় ৭টি উইকেট। একপ্রান্ত আগলে রাখা তাওহিদ হৃদয়ও শেষ পর্যন্ত হার মানেন। দলীয় ১০৩ রানে হৃদয় আউট হন। শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ১২৮ রানের এই জয়ে পাকিস্তান সিরিজে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি এখন অঘোষিত ফাইনালে রূপ নিল।
১০৩ রানেই নেই ৮ উইকেট-টপ অর্ডারের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে লিটন দাস প্রতিরোধের আভাস দিলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মহাবিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ১০৩ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে গেছে স্বাগতিকরা।
পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের হাল ধরেন লিটন দাস। ৯.৩ ওভারেই দলের স্কোর ৫০-এ নিয়ে যান তিনি। তবে ভালো শুরুর পর লিটনকে ফিরতে হয় দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে। মাজ সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। ৩৩ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন লিটন। 
আগের ম্যাচে ব্যাটিং না পাওয়া আফিফ হোসেন আজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ১৫ বলে ১৪ রান করে সাদাকাতের শিকার হয়ে ফিরে যান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ৫ বল স্থায়ী ইনিংস খেলে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। ফাহিম আশরাফের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দেন টাইগার অধিনায়ক।
মিরাজের বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই রিশাদ হোসেনকে বোল্ড করে ফেরান সেই সাদাকাত। ১০১ রান তুলতেই বাংলাদেশ হারায় ৭টি উইকেট। একপ্রান্ত আগলে রাখা তাওহিদ হৃদয়ও শেষ পর্যন্ত হার মানেন। দলীয় ১০৩ রানে হৃদয় আউট হন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১০৩ রান। ক্রিজে আছেন তাসকিন ও মুস্তাফিজুর।
বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩২ ওভারে ২৪৩ রান-বৃষ্টির বাধায় বন্ধ হয়ে থাকা ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমেছে। ৩২ ওভারে বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য ২৪৩ রান। ফলে পরবর্তী ২৫ ওভারে বাংলাদেশকে করতে হবে ২১৬ রান। ম্যাচ শুরু হবে ৯টা ৩৫ মিনিটে।
এর মধ্যেই নতুন প্লেয়িং কন্ডিশন দেওয়া হয়েছে। দুই জন বোলার সর্বোচ্চ ৭ ওভার করে বোলিং করতে পারবেন। তিন বোলার সর্বোচ্চ ৬ ওভার করে বোলিং করতে পারবেন।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ২৭-১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টানছিলেন লিটন ও হৃদয়। এমন সময় মিরপুরে শুরু হয় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি। এতে খেলা বন্ধ করে দিলেন আম্পায়ার। ৬.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান করেছে বাংলাদেশ।
১৫ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের-লক্ষ্যটা ছিল ধরাছোঁয়ার মধ্যেই, কিন্তু রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রের বোলিংয়ে মাত্র ১৫ রানেই প্রথম সারির ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে ধুঁকছে স্বাগতিকরা। 
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম ধাক্কা দেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ছক্কার চেষ্টায় ফ্লিক করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। সীমানায় মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৭ বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি। প্রথম ওয়ানডের নায়ক আজ ফিরলেন চরম ব্যর্থতা নিয়ে।
তানজিদ ফেরার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের ওভারে আক্রমণ শানান মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ওভারের প্রথম বলেই শর্ট মিড অফে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। ১২ রান করে সাইফ বিদায় নিলে ১৩ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
দলের কঠিন সময়ে হাল ধরতে এসে উল্টো বিপদ বাড়িয়ে বিদায় নিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শাহীন শাহ আফ্রিদির একটি ইন-সুইং ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে চেয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু উইকেটের লো-বাউন্সে পরাস্ত হয়ে সরাসরি বোল্ড হন তিনি। ৪ বল খেললেও রানের খাতা খুলতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক।
৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫ রান। বর্তমানে ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়।এর আগে ২৭৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। শেষ ৪৩ রানে দলটি হারিয়েছে ৭ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে সালমান ও রিজওয়ানের ১০৯ রানের জুটিতে ৩ উইকেটে ২৩১ রান তুলেছিল পাকিস্তান। বিতর্কিত রানআউটে ৬৪ রানে ফেরেন সালমান। এরপর ধসে পড়ে পাকিস্তানের ইনিংস। সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!