আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের প্রতিষ্ঠা করা প্রতিষ্টানগুলো থেকে আনিত পার্সেন্টসের অর্থ খরচ করা ছাড়া বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের কোনো কাজ নাই। ফলে ডামে এখন লেজে কুকুর নাড়ে!
খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এক সমযের আলোচিত দুর্নীতিবাজ ফ্যাসিবাদের দোসর ও গ্রেপ্তারকৃত সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের লোক গোলাম রহমান সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ডামের সম্পদ লুটে খেতে প্রতিষ্টানটির প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন। এতে ২ বছর আগে সহায়তা করেছেন খাযরুল হক।
সুত্র জানায়, চেয়ার দখল করেই দেশ ও মানুষের কল্যাণে গড়ে তোলা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন দখলদার প্রফেসর ড. গোলাম রহমান।মাইম্যান আর কলারম্যান দিয়ে ডামকে মাকড়শার মতো ঘিরে ফেলেছে গোলাম। ফলে ডামের হেড অফিসে কর্মরতদের মধ্যে নানারকম সন্দেহ-উওেজনা বিরাজ করছে। ফলে ইমেজ সংকটে পরেছে ডাম।
ডাম সুত্র জানায় একজন অপেশাদার লোক কুটকৌশলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন।যিনি নূনতম মানবতার সেবার মানসিকতার লোক না হয়েও কিভাবে তিনি মানবতার সেবার প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হলেন?
শুধু নিজের লোভের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং দুর্নীতির মামলা ও অপরাধ থেকে বাচঁতে ফ্যাসিবাদ গোলাম মুখোশ পড়ে ডামে বসেছেন।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের নামে প্রতিষ্ঠিত আউটস, হজ্জ ফাইন্যান্স, ক্যান্সার হাসপাতাল, হজ মিশনসহ প্রায় সবগুলো প্রতিষ্টান থেকে হেড অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বিড়াট অঙ্কের পার্সেন্টস আনা অর্থ বসে বসে খরচ করা ছাড়া তার কোনো কাজ নাই।
জানা গেছে ডামের নির্বাহী কমিটির প্রায় সবাই গাড়ির ফুয়েল খরচ ও রক্ষণাবেক্ষনের নামে কোটি টাকা খরচ করে যাচ্ছে। যা দিয়ে দেশের বহু দরিদ্র পরিবার দুবেলা দুমুঠো খেতে পারে।
প্রশ্ন হচ্ছে, ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন? খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা জেল হাজতে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার কল্যাণের প্রতিষ্ঠান ডামে।
এদিকে গোলামের দোসর কোম্পানীর নব্য সেক্রেটারি মো: রফিকুজ্জামান রফিক। তিনি আবার ঘুসে অডিট দায়িত্ব পাওয়া নতুন মুখ। তার বন্ধু ডামের হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ লুটে খাচ্ছে আলোকিত বাঙলাদেশ।
অভিযোগ রয়েছে তার নোংরা কলকাঠির ষড়যন্ত্রে ও মতলববাজের কানকথা শুনে একজন কর্মকর্তার কোনো কারন ছাড়াই ২ বছরের বেতন-ভাতা আটকে রেখেছেন। এমন এক শয়তান মানবকল্যানে প্রতিষ্টিত ডামে কিভাবে কাজ করেন।
জানা গেছে ওই কর্মকর্তা পদত্যাগও করেননি, চাকরিচ্যুতও হননি। তাহলে কি অপরাধে তার বেতন আটকে রাখা হয়েছে, তার কোনো ব্যাখ্যাও দেননি। ডামের চেয়ার দখলকারি এমন মানবতা বিরোধী শয়তান চরিত্রের লোক ডামকে শুধু ধ্বংসই করবে না, দীর্ঘসময়ের সুনাম অর্জনও ভূলন্ঠিত করবে, এখনো করে যাচ্ছে।
জানা গেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশের একটি অলাভজনক সমাজসেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যেটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত গরিব, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। সমাজসংস্কারক ও সুফি খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন।এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এনজিওগুলির মধ্যে অন্যতম একটি এনজিও।
উল্লেখ্য, সৎ চরিত্রের অধিকারি, মেধাবী, সুফি-সাধক, নির্লোভব্যক্তি, ঘুস-দুর্নীতিমুক্ত স্বেচ্ছাশ্রম নিবেদিত মানুষ, দেশের ও সমাজের সেবায় যিনি নিজেকে উদার মানসিকতা দেখাতে পারেন এবং শিক্ষায় পান্ডিত্য, পরোপকারি, কল্যাণকর কাজে নিয়োজিত রাখতে পারবেন এমন ব্যক্তি-সেবক নিয়েই ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-ডাম পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রফেসর ড. গোলাম রহমান তার উল্টোটাই করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোলামের সাথে নির্বাহী কমিটিতে খচ্চর প্রকৃতির বদমেজাজী খলিলউল্লাহ,ক্যান্সার হাসপাতাল লুটে খাওয়া এম এ জলিলও আছে। অর্থাৎ গোলাম-খলিলউল্লাহ, এম এ জলিল আর আজাদ-রফিক ডামে থাকা এসব পরিত্যাক্তরাই এখন ডামে লেজ নাড়াচ্ছে। আগে কুকুরে লেজ নাড়তো, এখন লেজে কুকুর নাড়াচ্ছে বলে ডামের একাধিক কমর্িূ জানিয়েছেন।
ডাম সুত্র জানায় সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমকে বিদায় করে ডামে ময়লা-আর্বজনায় ভরা মানসিকতা নিয়ে গোলাম ডামকে ময়লাই জড়ো করছেন। নিজের লোক নিজের লোক নিযোগের মাধ্যমে ডামের পরিবেশ বিনষ্ঠ করছেন।
গোলামের সিন্ডিকেটের সদস্যদের ’ছোট ছোট বানরেরর বড় বড় লেজ’-এর মত অবস্থা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডাম সুত্র জানায় তারা এমহুর্তে মনে করেন গোলাম তাড়াও, ডাম বাচাঁও।
ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অতীত-বর্তমান কর্মক্ষেত্রের কর্মকান্ড নিয়ে ডেইলি খবরের অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিক টিম কাজ করছে। তথ্য আসছে..চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :