আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে ৩ কতুবের খেলা চলছে। ডাম জাহান্নামে যাক, নিজেরা ভালো থাকলেই হলো, আখের গুছানোও হলো।
প্রশ্ন হচ্ছে, ডামের এই ৩ জনের অনিয়ম-দুর্নীতির দায় কেনো ডাম বডি রিচ্ছে? চিহ্নিত করে দেওয়ার পরেও তাদেরকে কেনো শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছেনা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে ডাম নির্বাহী কমিটি তদন্ত কেনো করছেনা, আলোকিত বাংলাদেশে অডিট কেনো করা হচ্ছে না?
ডামের আস্তানায় আসা এই ৩ নবাগত কুতুব ডামের ৬০-৭০ বছরের সুনাম ঐতিহ্য নষ্ট করেছে।নবাগত কুতুবরা হলেন-খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এক সময়ের দুর্নীতিবাজ ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান,তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোম্পানী সেক্রেটারী ঘুষে অডিট মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
খোজ নিয়ে জানা গেছে ডামে আসা এই ৩ কুতুব সংঘবদ্ধভাবে লুটে খাচ্ছে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সম্পদ। যাদের বিরুদ্ধে এতোসব অভিযোগ তাদের কোনো বক্তব্যও পাওযা যায়না।
এদিকে প্রমাণীত অভিযোগ রয়েছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ব্যানারে কাজি রফিকুল আলমের প্রতিষ্টা করা আলোকিত বাংলাদেশ থেকে এই ৩ কুতুব লুটে খাচ্ছে। বিষয়টি সংবদ্ধ অর্থ চুরি করার ঘটনা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি নিজেই এই সংঘবদ্ধ চোরের সর্দার হয়ে বসে আছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ডামে চাকরি করা এই ৩ কুতুব নবাগত হলেও আচরন দেখে মনে হবে তারা ৬০-৭০ বছর আগে থেকেই ডাম চালিয়ে আসছে, নিজেরাই মালিক বনে গেছে। তবে তারা এমনই মতলববাজ যে নিজেদের সুবিধা নিতে সর্বসময় ব্যস্ত থাকেন।
ডামের অঙ্গ-প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশে ২ বছর আগে কিছুদিন পরপরেই অডিট করাতো ঘুষে অডিট ঠিকাদার ডামের কোস্পানী সেক্রেটারী ধান্ধাবাজ মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
কিন্তু গত ২ বছর অতিবাহিত হলেও একবারও অডিট করেননি ঘুষে অডিট রফিক। এর কারন সম্পর্কে জানা গেছে ঘুষে অডিট রফিকের বাল্যবন্ধু আবুল কালাম আজাদকে ডামে হিসাব রক্ষক পদে চাকরি দিয়ে ডেপুটেশনে প্রেরণ করে দেয় আলোকিত বাংলাদেশে। সুবিধা গ্রহণের কারণে সেখানে কোন অডিট করা হয়না গেল ২ বছর।
আলোকিত বাংলাদেশ সুত্র জানায় গোলামকে সাথে রেখেই বন্ধুদ্বয় লুটেপুটে খেয়ে যাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ। ফলে আর অডিট করার দরবকার নাই। এই হলো ঘুষে অডিট রফিকের কৌশল। এ নিয়ে কথা বললে করছি, করবো বলে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন।
প্রচলন আছে ঘুষে অডিট রফিক ও তার অডিট টিম লুটেপুটে খাওয়ার সুড়ঙ্গ খুজে সারাবছর। সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের প্রতিষ্টা করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অডিট করার নামে ভয়খীতি দেখানোই যেনো তাদের কাজ। ভাগ্য বদলের জন্য ডামে চাকরি নেওয়া নতুন কুতুব।
এদিকে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে গোলাম রহমানের মাইম্যান হিসাব রক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে গত ২ বছরে বেতনের নামে কোটি টাকা লোপাট করিয়েছেন গোলাম নিজেই।
সুত্র জানায় লোপাটের টাকায় গোলাম রহমানের বাসার বাজার থেকে শুরু করে নানা কাজে সহায়তা দিয়েছে আজাদ। ফলে আজাদ আলোকিত বাংলাদেশ থেকে পুকুর চুরি করলেও গোলাম কিছু বলছেননা।
গোলাম রহমান বলেছেন আলোকিত মিডিয়া লি: এর সিদ্ধান্ত এসব করা হচ্ছে, কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো পরিচালকই জানেননা গোলাম-আজাদ রফিক গংরা কি করে কি করছে, কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তারা কিছুই জানেনা, পুরোনো রেজুলেশন ব্যাকডেট দিয়ে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে গোলাম সিন্ডিকেট।
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।
গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা।
ডামের নামে থাকা সম্পদ ও জমি বিক্রি করে অর্থ হাতানোর ষড়যন্ত্র চলছে. কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দেওয়ার পায়তারাও করছে। গোলাম রহমান ও তার চোর সহযোগীদের আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :