আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন থেকে চোর সিন্ডিকেট বিতাড়ন করা না হলে লোপাট বন্ধ হবে না। অর্থ-সম্পদ লোপাট করতে বিগত ৫ বছরে কিছু নতুন মুখ যুক্ত হয়েছে। যাদের কাজই হচ্ছে ফন্দিফিকির করে লুটেপুটে খাওয়া-লোপাট করা। অভিযোগ রয়েছে এসব চোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা হচ্ছে-আজাদ-রফিক আর জলিল।
এদেরেকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন খোদ প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান নিজেই। তিনি নিজেকে মস্তবড় ক্ষমতাধর মনে করে যা ইচ্ছে তাই করে চলেছেন। ফলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সুনামের ১২টা বেজে যাচ্ছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া অর্থ-সম্পদের ওপর বসে নকিদারি করছেন গোলাম। তাকে নয়-ছয় বুঝিয়ে চোর সিন্ডিকেট লুটে নিচ্ছে ডামের নামে আসা আয়-কমিশন। কাজী রফিকুল আলমের স্ক্যান স্বাক্ষর ব্যবহার করেও ফায়দা লুটছে গোলামের মাইম্যান আজাদ।
জানা গেছে একজন অর্ধমৃত মানুষ বর্তমানে কাজী রফিকুল আলম ডামের নিয়ন্ত্রণাধীন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশকের পদ থেকে ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তার নাম অধ্যাবধি পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে তার নাম ছেপে যাচ্ছেন। এবং তার স্ক্যান সাইন ব্যবহার করে সরকারের তথ্য অধীদফর, ডিএফপি ও ব্যাংক হিসাব খোলাসহ নানা কাজে কাজী রফিকুল আলমের স্ক্যান সাইন ব্যবহার করা হচ্ছে।
একই সাথে নিজে ফায়দা লুটতে ৪৫ হাজার টাকা থেকে এক লাফে নিজের বেতন লাখ টাকা করে নিচ্ছেন আজাদ। শুধু কি তাই হিসাব রক্ষক থেকে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা না থাকা সত্বেও এক লাফে যুগ্ম-সম্পাদক করে দিয়েছেন গোলাম রহমান।
এসব অপরাধের কাজে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছেন ডামের কোম্পানি সেক্রেটারি ও অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জান রফিক। কাজী রফিকুল আলমকে পত্রিকাটির সম্পাদক-প্রকাশক হিসাবে প্রিন্টার্স লাইেনে ছেপে গত ২ বছরে সরকারের ১২ কোটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন লুট করেছেন এই চোর সিন্ডিকেট।
এই চোর-বাটপার সিন্ডিকেট যাকে নিয়ে এতো দু নম্বরি ব্যবসা-ব্ল্যাকমেইল করে যাচ্ছে তিনি কিছুই জানেননা। গুরুতর অসুস্থ,কানে শুনতে ও কিছু বলতে পারেন না।
প্রশ্ন হচ্ছে গোলামের মাইম্যান ডামের হিসাব রক্ষক ডেপুটেশনে আসা আলোকিত বাংলাদেশে মো: আবুল কালাম আজাদ কিভাবে যুগ্ম-সম্পাদক হলেন? কে দিল এমন প্রমোশন? কে দিল লাখ টাকা বেতন নেওয়ার অনুমোদন?
দেশের কোথাও আলোকিত বাংলাদেশ দেখা যায় না পাওয়া যায়না। অর্থনৈতিক সংকট থাকলে আজাদ ও তার সহযোগীরা দ্বিগুণেরও বেশী বেতন তারা কিভাবে নিচ্ছে? ঘুরেফিরে একই প্রশ্ন আসে কে তাদের বেতন বাড়িয়ে দিল? ২’শ কপি পত্রিকা ছেপে লাখ লাখ টাকার নয়ছয় করার সাহস কে যোগালো?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডামের একজন কর্মকতা জানান এসব অপরাধের মুল গডফাদার খোদ গোলাম রহমান নিজেই। আর তাকে সহযোগীতা করেন জবাব দেন অডিট ঠিকাদার রফিক। অভিযোগ রয়েছে এই বাটপার সিন্ডিকেট গোলাম রহমানকে ভুলবাল বুঝিয়ে এবং সমস্যার সমাধান না করে সমস্যা তৈরি করতে কুপরামর্শ দেওয়াই ওদের কাজ।
ডামের সম্পদ-অর্থ লোপাটের সুক্ষ মেধাবী বলেও তাদের পরিচয় রয়েছে। তারা ডামের পুরনো কোনো কর্মি না হয়েও ধান্ধাবাজিতে মাস্টারপিছ বলে ডামের কেউ কেউ মনে করেন।
এদিকে গোলাম রহমানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ট্রেজারার ডা.এম এ জলিল লুটপাট করে এলোমেলো করে ফেলেছেন আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (এএমসিজি এইচ)।
মানবিক মূল্যবোধ হারানো সুচতুর জলিল ফন্দিফিকির করে নানারকম কৌশলে ও ঠিকাদারি কাজের কমিশন নিয়ে এই হাসপাতাল থেকে কোটি টাকা ধান্ধাবাজী করে আবার এই হাসপাতালেই কিছু টাকা দান করে মানবতার ফেরিওয়ালা সাজচ্ছেন।
ডাম সুত্র জানায় খু:বি; ভিসির দায়িত্ব থাকা অবস্থায় গোলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা, মানব সেবায় অন অভিজ্ঞ দেশের কল্যাণে যার তেমন কোনো অর্জন নেই, একজন অপেশাদার মুখোশপড়া উচ্চশিক্ষিত ভন্ড লোক কুটকৌশলে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের কাধে ভর করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন।
প্রশ্ন হচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন? খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা জেল হাজতে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার কল্যাণের প্রতিষ্ঠানে।
গোলামের অপর মাইম্যান কোম্পানীরর সচিব মো: রফিকুজ্জামান রফিক। তিনি আবার ঘুসে অডিট দায়িত্ব পাওয়া নতুন মুখ। অভিযোগ রয়েছে গোলাম-জলিল ও আজাদ-রফিক মিলে নিজেদেও আখের গোছাতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে যাচ্ছে। তা না হলে ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমকে নিয়ে এসন জোচ্চুরি বাটপারি ব্লাকমেইল কিভাবে করে যাচ্ছে? তাদের অতীত-বর্তমান সহ সাবির্ক তথ্য আসছে--চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :