শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রতারক-ভন্ডর কবলে ঢাকা আহছানিয়া মিশন

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬, ০২:২১ পিএম

প্রতারক-ভন্ডর কবলে ঢাকা আহছানিয়া মিশন

আইন-অপরাধ ডেস্ক: দুর্নীতির দায়ে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের হাতে পরে ধ্বংস হচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।
গোলাম রহমান নানারকম ফন্দিফিকির করে ডামের নামে থাকা প্রতিষ্টান থেকে নিজেও লুটে নিচ্ছেন,মাইম্যান দিয়েও লুট করাচ্ছেন।
জানা গেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মানরবতার সেবায় ৬০ বছর কাটিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। প্রতিষ্টানটির নের্তৃত্ব দিয়ে দেশে বহু প্রতিষ্টান গড়ে তুলেছেন তিনি।

দেশে-বিদেশে আকাশ ছুঁয়া সুনাম-খ্যাতিও অর্জন করেছিলেন। কিন্তু শেষ বয়সে কাজী রফিকুল আলমকে ডাম থেকে সরিয়ে দিয়ে একদল ভন্ড-প্রতারক মানবতার সেবার সুনাম-খ্যাতি সবই ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছেন।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশরনর চেয়ার দখল করে ওই ভন্ড-প্রতারকচক্র সুযোগে বুঝে লুটে নিচ্ছে এর আয় করা অর্থ, নষ্ট করছে সম্পদ, বেচা-বিক্রি করছে জমি-জমা। আর এসব ডামের নামে রেখে গেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডামের একাধিক কর্মি জানান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান নিজেই চোর। এবং চোর-বাটপার সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তিনি নাতির সমান বয়সি ১-২ জন সাথে নিয়ে সিঁেধল চোরের মতো চুরির কাজ করছেন। ডামের সাথে সেরাম প্রতারনা গোলাম করেছেন, মাইম্যান দিয়ে করাচ্ছেন।
 

জানা গেছে গোলাম রহমান ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্টানে মহাচোর ঢুকিয়েছেন। ২৫ হাজার টাকা বেতনের যোগ্য না তাকে লাখ টাকা নিতে সহায়তা করেছেন গোলাম।

ডামের নামে থাকা সম্পওি গোপনে গ্রাস করার কাজ করে যাচ্ছেন। গোপনে আরও অনেক কাজ করেছেন যা প্রকাশ হচ্ছে না। পরে হইত হবে।
এদিকে গোলামের নানা অপকর্মের কারণে এবং এসব চোর-বাটপারদের হাত থেকে ডামের সম্পদ রক্ষায় সরকার থেকে প্রশাসক নিয়োগের ফাইল চালাচালিও শুরু হয়েছে। জানা গেছে খুব শীঘ্রই প্রশাসক বসছে ডামে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাটির আয় লুটে নিতে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন মাইম্যান (হিসাব রক্ষক)। তাকে আলোকিত বাংলাদেশে রেখে বেতনের নামে গত ২ বছরে কোটি কোটি টাক হরিলুট করিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

গোলাম রহমানের থাকার কথা জেলে তিনি এখনো বসে আছেন ডামের মানবতার চেয়ারে। ডামে মানবতার আচরন না করে স্বৈরাচারের আচরন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কাজী রফিকুল আলমের করা  আউটস থেকে পরিচালন ব্যয়ের নামে অর্থ পেয়ে ইচ্ছেমত খরচ করছেন। ডামের ফুয়েল-ড্রাইভারসহ গাড়ি নিয়ে চলছেন। বলে বেড়াচ্ছেন স্বেচ্চাশ্রম!

ডামের একাধিক কর্মি মনে করেন মুখোশ পড়া এই প্রতারক ভন্ড লোক নীতি বদলায়নি। ব্যক্তিগতভাবে একজন অসৎ অমানবিক লোক কিভাবে মানবতার চেয়ারে? 
এদিকে ডাম সুত্র জানায় আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু সম্পাদক নিয়োগের প্রক্রিয়াধীন বলে তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে লুটে নিচ্ছেন পত্রিকাটির আয়ের অংশ।

কোন আইনে কি ক্ষমতাবলে গোলাম রহমান আজাদ গং দিয়ে এসব অপকর্ম করছেন তার কোনো জবাব তার কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। 
সুত্র জানায় জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংকের হিসাব খুলে গোলামের অর্থযোগানদাতা আজাদ গং আলোকিত বাংলাদেশ থেকে ইচ্ছেমত বেতনের নামে-বেনামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ফলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানটি লুটেরার হাতে পরে হরিলুট হচ্ছে।
বর্তমানে অর্ধমৃত থাকা সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের নাম ব্যবহার করে এবং স্ক্যান-সাইন দিয়ে নানারকম প্রতারনা তার মাইম্যান আজাদ করলেও গোলাম রহমান এসবের কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি।

ভন্ড-প্রতারক চক্রের সার্বিক তথ্য ডামের কোম্পানি সেক্রেটারি ঘুসে অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামান রফিক জেনেও না জানার ভান করে ডামের সবাইকে বোকা বানাচ্ছেন, যেহেতু আজাদ তার বন্ধু।

জানা গেছে, সুস্থ অবস্থায় এক সময়ে কাজী রফিকুল আলম আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে অসুস্থতা জনিত কারণে গত ২ বছর আগে সম্পাদক-প্রকাশক থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে লুটে নিচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশের আয় করা অর্থ। তার নাম প্রিন্টার্স লাইেনে ছেপে এর দায়-ভার কাজী রফিকুল আলমের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।
গোলাম রহমানসহ তার চোর সিন্ডিকেট নিয়ে আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!