শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন ও শপথ প্রক্রিয়া

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০২:১০ পিএম

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন ও শপথ প্রক্রিয়া

ডেইলি খবর ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর এখন দেশজুড়ে প্রতীক্ষা নতুন সরকার ও মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের।অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রæয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হতে যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া।
শপথের সময়সূচি ও প্রস্তুতি
আজ শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ আগামী ১৬ বা ১৭ ফেব্রæয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক থাকলে ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ১৮ ফেব্রæয়ারির পর আর সময়ক্ষেপণ হবে না।
সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য সময়সূচি: ১৫-১৬ ফেব্রæয়ারি: নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণ।
১৭-১৮ ফেব্রæয়য়ারি: নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ এবং পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণ।নতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়া, কী বলা আছে সংবিধানেনতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়া, কী বলা আছে সংবিধানে
শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি
সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি প্রথমে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পড়াবেন, এরপর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথপত্রে স্বাক্ষর করবেন এবং এর মাধ্যমেই নতুন সরকার দাপ্তরিকভাবে ক্ষমতা লাভ করবে।
গেজেট থেকে সরকার গঠন: সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকাওে প্রকাশিত হওয়ার পর নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও সংবিধানে এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নেই, তবে রেওয়াজ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ হয়। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর ১১ জানুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিয়েছিল। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটেও সেই দ্রæততার প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতির ভূমিকা ও সংবিধান-নতুন সরকার গঠনে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সেই সদস্যকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, যিনি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন হিসেবে প্রতীয়মান হবেন। নতুন সরকার গঠনের পর বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনার ভার গ্রহণ করবেন।সংগৃহীত ছবি

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!