ডেইলি খবর ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে খুনের মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জবাবও দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, , হাদির হত্যাকারীদের বাংলাদেশে ফেতর দেওয়া বা কনস্যুলার অ্যাকসেসের বিষয়ে ভারতের অবস্থান কি? এ বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এটি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয় এটি। এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় বলে জানান তিনি।
এর আগে গত ০৮ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ খবর পায় যে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে বলেও তথ্য পায় পুলিশ।হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার এতে বলা হয়েছে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুই বাংলাদেশিকে আটক করে। তারা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন (৩৪)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ওই বিবৃতে দাবি করা হয়েছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেন বাংলাদেশের ঢাকায় ওসমান হাদি খুন করে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং এযাবৎ তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল। সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় আসে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের বনগাঁ এলাকা থেকে উভয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই বিষয়ে এসটিএফ থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত আদালতে পেশ করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চলছে।
পশ্চিম বঙ্গের একাধিক পুলিশ সুত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনাগার গত বছরের ২৯ ডিসেম্বরেই তাদের গ্রেপ্তার হয়। গতকাল কেবল সেটা স্বীকার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে দেশের তদন্তকারী সংস্থার একাধিক কর্মকর্তারাও বলছেন, এই দুজন আগেই গ্রেপ্তার বা আটক ছিলো বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। ছবি: সংগৃহীত

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :