নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ঢলের মধ্যেই বগুড়ার সান্তাহারে দুর্ঘটনায় পড়া নীলসাগর এক্সপ্রেসের প্রভাব পড়েছে পুরো রুটজুড়ে। এতে ট্রেন চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে নীলসাগর এক্সপ্রেসের নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৬টা ৪৫ মিনিট। পরে সেটি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ার সময় দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই সূচিও বাতিল করা হয়। ফলে ট্রেনটি কখন ছেড়ে যাবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ঈদের ঠিক আগে এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে।নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রী সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি আবদুল্লাহপুরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। ঈদের ছুটি উপলক্ষে সৈয়দপুর যাওয়ার জন্য ১৪ মার্চ অগ্রিম টিকিট কেটেছেন।
তিনি বলেন, ভোর পৌনে ৬টায় স্টেশনে এসেছি। এখন সকাল সাড়ে ১০টা বাজে, কিন্তু কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করব, না হলে বিকল্প চিন্তা করতে হবে। আগামীকাল ঈদ হলে হয়তো রাস্তাতেই ঈদ করতে হবে।স্টেশনে উপস্থিত আরও বহু যাত্রী একই অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের কথা জানান। কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন, কেউবা বিকল্প পরিবহনের খোঁজে দৌড়ঝাঁপ করছেন।
এ বিষয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস গতকাল প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকায় পৌঁছেছে। এ ছাড়া ট্রেনটিতে কোচ সংকট রয়েছে। নতুন কোচ সংযোজনের পরই ট্রেনটি ছেড়ে দেওয়া হবে।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :