মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে ৩ নবাগত সুনাম নষ্ট করেছে, মিডিযার সাথেও বিরোধে জড়িয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ১২:৫২ এএম

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে ৩ নবাগত সুনাম নষ্ট করেছে, মিডিযার সাথেও বিরোধে জড়িয়েছে

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে ৩ নবাগত ৭০ বছরের সুনাম নষ্ট করেছে। এটা কৌশলেই তারা করছে। নবাগতরা হলেন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোস্পানী সেক্রেটারী মো: রফিকুজ্জামান রফিক।  খোজ নিয়ে জানা গেছে তারা এই ৩ জনই ডামে নবাগত হলেও আচরন দেখে মনে হবে তারা ৭০ বছর আগে থেকেই ডাম চালিয়ে আসছে। তারা এমনই মতলববাজ যে নিজেদের সুবিধা নিতে সর্বসময় ব্যস্ত থাকেন।

গোলাম রহমানকে কৌশলে ক্ষেপিয়ে তুলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৫ বোট টাকার মানহানীর মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করেন তার নৈতিকতাহীন পরামর্শক আবুল কালাম আজাদ ও রফিকুজ্জামান। প্রশ্ন হচ্ছে গোলামের মান কত? হানী হয়েছে কত? নিজেদের অপরাধ তারা দেখতে পায় না। গোলাম রহমানকে দিয়ে ৫ কোটি পাকার মানহানীর মামলা করিয়ে কি পেতে চায় তারা। আসলে এখানেও আছে মধূ। যা ভাগযোগ করে গোলামকে নিযে খাবে তারা। মামলার ব্যয় দেখিয়ে লুটপাট করার ফন্দিফিকির চুড়ান্ত। গোলাম রহমান অপরাধী নিয়ে চললেও অপরাধ দেখেন না। তিনি কি করে আজাদকে দিয়ে ডামের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আলোকিত বাংলাদেশ থেকে প্রায় লাখ টাকা বেতনের লুট করাচ্ছেন?

এদিকে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে গত ২ বছওে কোটি টাকা লোপাট করিয়েছেন। লোপাটের টাকায় গোলাম রহমান ভাগ বসিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি আলোকিত বাংলাদেশের আয় বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন। গোলাম রহমান বলেছেন আলোকিত মিডিয়া লি: এর সিদ্ধান্ত এসব করা হচ্ছে, কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো পরিচালকই জানেননা গোলাম-আজাদ রফিক গংরা কি করে কি করছে কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।

তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ২ বছরে প্রায় ১২ কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র।

গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা।

ডামের নামে থাকা সম্পদ ও জমি বিক্রি করে অর্থ হাতানোর ষড়যন্ত্র চলছে. কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দেওয়ার পায়তারাও করছে। গোলাম রহমানের আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!