আইন-অপরাধ ডেস্ক: গোলাম ক্ষেপেছেন! ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের বিরুদ্ধে তার ব্যর্থতা ও অনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্যফাঁস করায় ডেইলি খবরের সম্পাদক ও সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে মামলা করার ঘোষনা দিয়েছেন। গোলাম কোনোরকম লিখিত প্রতিবাদ না দিয়ে সরাসরি হামলা-মামলার পথে হাটছেন।এতে তার মাইম্যান ও কলারম্যানকে কাজে লাগিয়েছেন। এই সুযোগে কলারম্যান মামলার খরচের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ফন্দি ফিকির করছেন। ডামে প্রশ্ন উঠেছে মামলা পরিচালনার অর্থ গোলাম নেবেন-দেবেন কোথা থেকে? ইসলামী চিন্তবিদ মানবতার সেবক ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) এর সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের অক্লান্ত পরিশ্রমে মানবতার সেবায় গড়ে উঠা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) আজ ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তিনি ডামের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এসে নতুন করে একটি প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলতে পারেননি।তবে ডামের নামে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সম্পদ এখন বিক্রি করার আয়োজনে নেমেছেন গোলাম। ডামের সুনাম বিনষ্টকারি গোলামকে অতিদ্রুত আহ্ছানিয়া মিশন থেকে রিমুভ করা না হলে প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আশংকা বিরাজমান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছকি একাধিক ডাম কর্মি জানিয়েছেন প্রফেসর ড, গোলাম রহমানকে দ্রুত ডাম থেকে সরিয়ে সরকার থেকে একজন প্রশাসক বা অভিজ্ঞ সজ্জন ব্যক্তিকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনে ডামকে রক্ষা করতে হবে।
অভিযোগ আছে গোলাম দান-খয়রাতের অর্থ নিয়েও নয়ছয় করেন। এক ফান্ডের টাকা অন্যফান্ডে ট্রান্সফার করে লুটে খাচ্ছে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্টান ও ব্যক্তিরা গরীব মানুষকে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা কিংবা আর্থিক সাহায্যে প্রদান করার জন্য যেসব অর্থ ডামের নামে আসে তা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে মাসে মাসে সুদ উওোলন করে নিজেরাই নানারক খরচ দেখিয়ে ভুয়া ভাউচার করে লুটে নেয়। সমাজের অবহেরিত জনগোষ্ঠী বা পিছিয়ে পরে থাকা নানা বয়সি মানুষের সেবা করতে দানশীল বহু মানুষ ও প্রতিষ্ঠান বিশ^াস রেখে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে আর্থিক সাহায্যে করে থাকেন। এছাড়াও জমিসহ নানারকম মূল্যবান সম্পদ ডামের তত্বাবধানে দিয়ে দেন। এসব সম্পদের আয়-ব্যয় নিয়ে এবং দান-অনুদান নিয়েও চলে নানারকম দুর্নীতির লুকোচুরি। প্রতিষ্ঠানসহ কারো কারোর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনেও রয়েছে অভিযোগ। জানা গেছে ডামের বিরুদ্ধে এনজিও ব্যুরো,বাংলাদেশ ব্যাংক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রলয়সহ একাধিক সরকারী গোয়েন্দা দপ্তর-অধিদপ্তরে অভিযোগ রয়েছে। কোনো কোনো দপ্তর এসব অভিযোগ গোপনে তদন্ত নেমেছে।
এদিকে গোলাম রহমান। কি যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন তা নিয়েও রয়েছে নানা রকম প্রশ্ন? এসব বিষয় নিয়ে গোলাম রহমানের সাথে যোগাযোগ করে তার কোনো বক্ত্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য-আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক সফল প্রেসিডেন্ট ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব কাজী রফিকুল আলমকে অসুস্থতায় গত মার্চ ২০২৪ সালে কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি বাতিল করা কুক্ষাত সাবেক প্রধান বিচারপতি(বর্তমানে জেলে) খায়রুল হকের সঙ্গে আতাত করে কাজী রফিকুল আলমকে (সাইন-স্ক্যান) পদত্যাগে বাধ্য করে প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেন গোলাম রহমান। খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম-দূর্নীতি থেকে বাচঁতে ওই কুক্ষাত খায়রুল হকের সহায়তায় ফ্যাসিবাদেন দোসর ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। বিস্তারিত পরবর্তী পর্বে...

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :