বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

মানবাধিকার হরনকারী ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম) এবার বিশ্বব্যাংকের ঋণ লুটেপুটে খাওয়ার আয়োজনে ঢুকেছে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ১১:৪৬ এএম

মানবাধিকার হরনকারী ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম) এবার বিশ্বব্যাংকের ঋণ লুটেপুটে খাওয়ার আয়োজনে ঢুকেছে

 অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: দেশ-বিদেশের দান-খয়রাতের অর্থ মাবাধিকার সেবাসহ নানারকম উন্নয়ন প্রকল্পের নামে খরচ দেখিয়ে লুটেপুটে খেয়ে ফেলার অভিযোগ রয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের বিরুদ্ধে।

এরমধ্যে সবচেয়ে বড় অভিযোগ দেশী-বিদেশীদের অনুদানে দরিদ্রদের স্বাবলম্ভি কিংবা সহায়তাকরার টাকা একটি অঙ্গপ্রতিষ্টান দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার নামের একটি পত্রিকা প্রকাশ করে এতে বিপুল পরিমান অর্থ খরচ করে ফেলেছে যা এখনো ফেরত পায়নি,কখনোই পাওয়া যাবে না।

শুধু কি তাই এই পত্রিকায় কর্মরতদের বিরুদ্ধে নানারকম হয়রানি অমানবিক আচরনও করেছে, বেতন-ভাতা ঠিকমত দেয়নি। যা ছিল মারবাধিকার লঙ্গন। পাহাড় সমান অভিযোগ ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বিরুদ্ধে রয়েছে।

এবার বিশ^ব্যাংকের অর্থায়নের প্রকল্পের অর্থ পেলে তারা তা সঠিকভাবে কাজে ব্যবহার করতে পারবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়-সন্দেহ। কাগজে-কলমে ঠিক রাখার মাস্টার ডাম যা করে তা হলো কাগজে কলমে গরু আছে গোয়েলে নেই!

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায় বিশ্বব্যাংকের ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ইকোনমিক অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট’ (আর্ন) প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৯ লাখ যুব-যুব নারীকে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ, আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণের বাইরে থাকা (নিট) এই তরুণদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রকল্পটির আওতায় কাজ করবে চারটি এনজিও।

এ লক্ষ্যে ১০টি প্যাকেজের আওতায় সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

গত বুধবার (২৪ জুন) মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১০ প্যাকেজের সবগুলোর ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে যুব-যুব নারী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে নেই ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এমন ৯ লাখ যুবককে (যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নারী) প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত আর্ন প্রকল্প সেই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে অন্যতম প্রধান উদ্যোগ।

প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, আর্ন প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তায় পরিচালিত একটি উন্নয়ন প্রকল্প, যার লক্ষ্য বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলের যুবদের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

বিশ^ব্যাংকের অনাপক্তিপ্রাপ্তদেও মধ্যে কাজের জন্য ৪ এনজিওর মধ্যে নানারকম প্রতারনার অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা ঢাকা আহছানিয়া মিশন ডুকে পরেছে।

প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশকৃত এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন।

এরমধ্যে ব্র্যাক কাজ করবে ঢাকা ও রংপুর বিভাগে। সেভ দ্য চিলড্রেন কাজ করবে বরিশাল বিভাগ এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায়। কেয়ার বাংলাদেশ কাজ করবে তিন পার্বত্য জেলা এবং খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে। আর ঢাকা আহছানিয়া মিশন কাজ করবে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুর জেলা এবং সিলেট বিভাগে।

জানা গেছে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাদের জয়েন্ট ভেঞ্চারদের নিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে ৬৪ জেলার ২৫০ উপজেলার গ্রাম পর্যায়ে ৫ হাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবে। সেসব কেন্দ্রের মাধ্যমে আট লাখ যুবক-যুবতীকে বর্তমান সময়ের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ দেখাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে কার্যকরভাবে সহায়তা করবে।

এদিকে আর্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোখলেছুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, “এই প্রকল্প কোনো সাধারণ ‘প্রশিক্ষণ/দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্প নয় বরং বিভিন্ন আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে যুব-যুব নারীর কর্মসংস্থান সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম কার্যক্রম।

এটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশি যুবদের জন্য সমন্বিত সহায়তা নিশ্চিত করা। প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের যুব কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও ভবিষ্যতমুখী খাতসমূহ বিকাশের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

তিনি বলেন, আর্ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সুনিশ্চিত করা। প্রকল্পটি সেইসব যুবক-যুবতীর জন্য কাজ করবে, যারা সাধারণত আনুষ্ঠানিক সহায়তা পায় না।

কারণ অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম শহরকেন্দ্রিক হওয়ায় গ্রামীণ যুব সমাজ এই সকল প্রশিক্ষণের সুবিধা লাভে বঞ্চিত হয়। বাংলাদেশে এটি প্রথম পূর্ণাঙ্গ যুব সহায়তা প্রকল্প, যা যুবকদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য সমন্বিত সহায়তা প্রদান করবে। এ প্রকল্পটি শুধু প্রশিক্ষণ প্রদান নয় বরং যুবকদের প্রকৃত প্রয়োজন এবং আঞ্চলিক, জাতীয় ও বৈশ্বিক শ্রম বাজারের চাহিদা নিরূপণ করে সেই অনুযায়ী সহায়তা করবে।

এদিকে আর্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোখলেছুর রহমান হইত জানেননা এই প্রকল্পে মানবাধিকার হরনকারী ঢাকা আহছানিয়া মিশন ঢুকে পরেছে।

ডামের  অতীত ইতিহাস মানবাধিকার রক্ষার থাকলেও বর্তমানে এই এনজিওটির বর্তমানে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের বিরুদ্ধে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বিভিন্ন প্রকল্পের নানা অনিয়মে জড়িয়ে পরেছেন। সর্বশেষ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করে মামলাবাজ হিসাবে সাংবাদিক সমাজে চিহ্নিত।

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!