ডেইলি খবর ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘বিগত অন্তর্র্বতী সরকারের সময় তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা গায়ের জোরে সারা বাংলাদেশের জেলা কমিটিগুলোকে প্রভাবিত করেছিলেন। বিসিবি কোনো পরিবহনের স্ট্যান্ড নয় যে এখানে ‘বাপের দোয়া’ বা ‘মায়ের দোয়া’ মার্কা পকেট কমিটি চলবে।’বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গঠিত অবৈধ কমিটিকে বিদায় করা হয়েছে এবং তামিম ইকবালের মতো বিশ্ববরেণ্য ক্রিকেটারদের হাতেই এখন দেশের ক্রিকেট নিরাপদ। বিগত অন্তর্র্বতী সরকারের সময় তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা হাইকোর্টের আদেশকে তোয়াক্কা না করে, সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে একতরফাভাবে ক্রিকেট বোর্ড দখল করেছিলেন।’
তিনি বলেন, দক্রীড়ামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি জঘন্য সব অনিয়ম খুঁজে পেয়েছে। সেই পকেট কমিটি ভেঙে দিয়ে আমরা তামিম ইকবালকে এনেছি। আমরা এখানে কোনো ‘বাপের দোয়া’ কমিটি করতে আসিনি; বরং দেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিতে চাই।’
ক্রিকেট ইস্যুর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও তাদের পেটুয়া বাহিনী জুলাই যুদ্ধে হানাদারদের মতো আচরণ করেছে। রাজপথেই তাদের ফয়সালা হয়ে গেছে। এখন বীর বিপ্লবীদের সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা দেওয়া আমাদের পবিত্র ইমানি দায়িত্ব। এই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
মানবাধিকার কমিশনকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার একটি বালখিল্য আইন করে সময় নষ্ট করেছে। আমরা এমন এক শক্তিশালী কমিশন গঠন করছি যেখানে গুমের বিচার হবে সরাসরি আইসিটি অ্যাক্টে। যার সাজা হবে যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড। গুমের ভিকটিমরা যাতে সরাসরি আদালতে বিচার পায়, সে পথ আমরা পরিষ্কার করছি।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা দখলদারিত্ব চালিয়েছিল, তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত সময়ে যারা বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে, তাদের কারণে আজ জাতি ভুগছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা পেশিশক্তি খাটিয়েছে, তাদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :