আইন-অপরাধ ডেস্ক: খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসে ভয়াবহ জালিয়াতি প্রতারনা করছেন প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। যা চোর-ডাকাতের সর্দারও বলা যেতে পারে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম ও আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডকে অন্ধকারে রেখে আলোকিত বাংলাদেশের আয় করা অর্থের শ্রাদ্ধ করতে গোলাম নিজে এবং তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক আবুল কালাম আজাদকে চেক স্বাক্ষর করাচ্ছেন সাথে রেখেছেন ডামে কর্মরত একজনকেউ। যা জালিয়াতচক্র হিসাবে চিহ্নিত।
চক্রটি গোপনে আলোকিত বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের টাকা ও বেতনের চেক ক্লিয়ারিং করতে প্রাইম ব্যাংক তেজগাঁও শাখার সহযোগীতা নিচ্ছে। যা অবৈধ ও বেআইনী কার্যকলাপ। আলোকিত মিডিয়া লি: সিদ্ধান্ত নেবে কে চেকে স্বাক্ষর করতে পারবেন। এখানে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান আলোকিত বাংলাদেশে নিয়োগ-পদায়ন ও কোনো ব্যক্তিকে চেক স্বাক্ষর করার নির্দেশনা বা কোনো সিদ্ধান্তই দেওয়ার এখতেয়ার তার নাই। এসব সিদ্ধান্ত প্রদানের একমাত্র সম্পাদক ও প্রকাশকের। তিনি যদি কাউকে লিখিতভাবে প্রতিষ্টানের দেখভালোর অনুমতি যাকে দিবেন তিনিই এসব কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন, এর বাইরে অন্যকেউ করতে পারবেননা। যদি সম্পাদক ও প্রকাশক কোনো কারণে না পারেন তাহলে দেখবে আলোকিত মিডিয়া লি:।কিন্তু ডাম প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান সম্পুর্ণ বেআইনীভাবে আলোকিত বাংলাদেশে অযাচিত হস্তক্ষেপ ও তার মাইম্যানকে নানা রকম দিকনির্দেশনা দিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছে। যা তিনি খূলনা বিশ^বিদ্যালয়ে করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্ম নিয়ে যতবার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয় ততবার তিনি এড়িয়ে চলেন।
এদিকে আলোকিত বাংলাদেশে কর্মরত ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জনাব শামীম সিদ্দিকী’র চাকরি (৮ম ওয়েজ বোর্ডে স্থায়ী নিয়োগ) প্রায় ২৫ মাসের বেতন-ভাতা গোলাম-আজাদচক্র বন্ধ রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শামীম সিদ্দিকী জানান ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদে এসে প্রফেসর ড. গোলাম রহমান কোনো কারণ ছাড়াই বেতন-ভাতা তার পোষা মাইম্যান হিসাব রক্ষক আজাদের প্ররোচনায় বেতন প্রদান বন্ধ করে দেয়।
ডামে বসে লেবাসধারী মানবতার সেবার নামে তিনি অমানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আসলে তিনি কম্লিট ভন্ড, মুখোশপড়া দুর্নীতিবাজ, প্রতারক ক্রিমিনাল। আইনি ব্যবস্থা নিয়ে তাকে পুলিশে দেওয়া প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি সাপের লেজ দিয়ে কান চুলকাচ্ছেন, সাংবাদিক কি তা তাকে জানতে হবে?
ডাম সুত্র জানায় ডামের সভাপতির পদ দখল করে ফের দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন গোলাম রহমান। লুটের টাকার চেক জোচ্চুরি করে ডামের আনোয়ারকে দিয়ে জোর করে চেক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে বেতনের নামে আজাদ টাকা তুলে গোলাম-আজাদ ভাগভাগি করে নিযে খাচ্ছেন। যা তাদের সীমাহীন ইতরামি। বিশ^ বেহায়া এরশাদের চেয়েও বিশ^ চোর-বেহায়ার তালিকায় গোলাম রহমান।
খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে থাকলে এতোদিন গোলাম থাকতো জেলে। গ্রেপ্তার এড়াতে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের সহায়তায় বাঁচার জন্য ঢুকে পরেছেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনে। এখানেও মানবতার মুখোশ পরে নিরাপদে আছেন। ডামের টাকায় খাচ্ছেন, যাচ্ছেন ঘুরছেন।চিকিৎসার নামে প্রচুর অর্থও নিয়েছেন।
পুরনো অভ্যাস নিয়ে এবারও তিনি ডামে বসে দুর্নীতি-লুটপাটে নেমেছেন। মানবতার সেবায় কাজ করা প্রতিষ্ঠান ঢাকা আহছানিয়া মিশনে বসে এসব খারাপ কাজগুলো করেই যাচ্ছেন।
ডাম নিয়ন্ত্রণের আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করিয়েছেন। লোপাটের টাকায় গোলাম রহমান ভাগ বসিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি আলোকিত বাংলাদেশের আয় বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন। গোলাম রহমানকে সহযোগীতা দিয়ে যাচ্ছেন কোম্পানি সেক্রেটারি মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নিয়োগবিধি জোচ্চুরি করে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সম্পদ ও অর্থ লুটে নিচ্ছেন, দেদ্ারছে খরচ করছেন। আউটস থেকে ব্যবস্থাপনার খরচ এনে ইচ্ছেমত খরচ কর্ াছাড়া গোলামের কোনো কাজ নেই। এমর কোনো কাজ তিনি করেননি যা ডামের সম্পদ বেড়েছে কিংবা সহযোগীতা পেয়েছেন ডাম সংশ্লিষ্টরা। আঞলিকতা নিয়ে ডামে অল্প সময় আগে আসা এসব সিন্ডিকেটচক্র দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।
কোন আইনে কি ক্ষমতাবলে গোলাম রহমান আজাদ গং দিয়ে এসব অপকর্ম করছেন তার কোনো জবাব তার কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে প্রায় আড়াই কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র।
গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা।
অভিযোগ রয়েছে গোলামের মাইম্যান আজাদকে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে মাসিক প্রায় এক লাখ টাকা বেতন নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সাথে তাকে যুগ্মসম্পাদকের পদটিও দিয়েছেন যা শুধু অপরাধই নয় সেরাম প্রতারনা গোলাম করেছেন। এসব অপরাধের বিষয় আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদও জানেনা বলে জানা গেছে। চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :