আইন-অপরাধ ডেস্ক: প্রতারকরা সব ক্ষেত্রেই কমবেশী প্রতারনার আশ্রয় নেবেই। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে দখলদার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ও তাই করেছেন।
তিনি সিনিয়র সাংবাদিক শামীম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের করার ঠিকানা ব্যবহারেও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। গোলাম রহমান নিজের বাসার ঠিকানা দেননি। তিনি ঠিকানা দিয়েছেন ৭০/বি , তেজগাও. ঢাকা। স্থায়ী ও অস্থায়ীর আসল ঠিকানা উকিলের কাগজে আদালতের সমনজারির ফরমে ধানমন্ডি ও তেজগাঁয়ের ঠিকানা ব্যবহার করেছেন।
খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ ভন্ড মিথ্যাবাদি প্রতারক না হলে একাজ তিনি কেনো করেছেন? সম্পাদকের নামে মামলা করবেন আর ঠিকানা দেবেন বায়োবিয়!
বাটপার স্যাডিস্ট, ভ্যাম্পয়ার না হলে একজন মৃতপ্রায় মানুষের পাওনা টাকা না দিয়ে মানহানীর মামলা করে যে অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন তাতে তাকে স্যাডিস্ট,নরপিচাশ-ভ্যাম্পায়ার না বলে কি বলা যায়?
তিনি নাকি এনজিও ডামের মাবতার সেবার চেয়ারে বসেছেন তার এই পরিচয়ে থুথু নিক্ষেপ করা উচিত বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
শুধু কি তাই অর্ধমৃত ব্যক্তির নাম দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন এই স্যাডিস্ট। এমন জ্যালজন্ত প্রতারক আর কোথায় আছে?
সুত্র জানায় গোলাম রহমানের প্রতারনার কাজে সহায়তা করছেন সেই দুই সুবিধাবাদী বাটপার গোলামের হিসাব রক্ষক আজাদ ও তার বন্ধু রফিকুজ্জান। অভিযোগ রয়েছে ডামের এই ৩ নবাগত ৭০ বছরের সুনাম নষ্ট করেছে।
এটা কৌশলেই তারা করছে। নবাগতরা হলেন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোস্পানী সেক্রেটারী মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
খোজ নিয়ে জানা গেছে তারা এই ৩ জনই ডামে নবাগত হলেও আচরন দেখে মনে হবে তারা ৭০ বছর আগে থেকেই ডাম চালিয়ে আসছে। তারা এমনই মতলববাজ যে নিজেদের সুবিধা নিতে সর্বসময় ব্যস্ত থাকেন।
এবার হামলার খরচের নামে ডাম ও আলোকিত বাংলাদেশ থেকে লুটপাট করতে গোলাম রহমানকে কৌশলে ক্ষেপিয়ে তুলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করেন তার নীতি-নৈতিকতাহীন পরামর্শক আবুল কালাম আজাদ ও রফিকুজ্জামান।
প্রশ্ন হচ্ছে গোলামের মান কত? মানহানী হয়েছে কত? নিজেদের অপরাধ তারা দেখতে পায় না। গোলাম রহমানকে দিয়ে ৫ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করিয়ে কি পেতে চায় তারা। মিডিয়া পাড়ায় গোলামের মামলা নিয়ে ঘেন্না করছে। প্রতিবাদ অব্যহত রয়েছে।
এদিকে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে মার্কেন্টাইল ব্যাংক গ্রীণ রোড শাখা, সোনালী ব্যাংক গ্রীণ রোড শাখা, প্রাইম ব্যাংক পান্থপথ শাখা ও প্রাইম ব্যাংক তেজগাঁও শিল্প এলাকা শাখা থেকে গত ২ বছওে কয়েক কোটি টাকা তুলে নিয়ে কি করেছেন?
এসব ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে আজাদ ও আনোয়ারকে দিয়ে চেকে সই করিয়েছেন গোলাম রহমান। এসব প্রতারনার অভিযোগের জবাব তার কাছে পাওয়া যায়না।
আলোকিত বাংলাদেশের আয় বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন তিনি। গোলাম রহমান বলেছেন আলোকিত মিডিয়া লি: এর সিদ্ধান্ত এসব করা হচ্ছে, কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো পরিচালকই জানেননা গোলাম-আজাদ রফিক গংরা কি করে কি করছে কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
আসলে এই মুহুর্তে ডাম ও আলোকিত মিডিয়া গোলাম চক্করে অন্ধকারে।

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :