শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

চোর সিন্ডিকেট লুটে খাচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠানের অর্থসম্পদ!

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১১:১২ এএম

চোর সিন্ডিকেট লুটে খাচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠানের অর্থসম্পদ!

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরজবরদোস্তি করে বেআইণভিাবে চেক স্বাক্ষর করিয়ে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠান আলোকিত বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে চোর সিন্ডিকেট।

সরকারী বিজ্ঞাপন থেকে আসা অর্থ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নামে লুটেপুটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে কোমায় থাকা সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমের নাম ছেপে লুটপাট করছে ডাম গোলাম রহমান সিন্ডিকেট।

ডাম সুত্র জানায় আলোকিত বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে আলোকিত মিডিয়া লি: কিংবা সম্পাদক ও প্রকাশকের অনুমোদন না নিয়ে এসব করা হচ্ছে।

ডাম প্রেসিডেন্ট ড.গোলাম রহমানের নির্দেশে চাকরিচ্যুতের ভয়ভীতি দেখিয়ে আজাদচক্র ডামে কর্মরত চেক সিগনেটরি আনোয়ার ও নীলুফারকে দিয়ে চেক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে ডামের হিসাব রক্ষক গোলামের মাইম্যান আবুল কালাম আজাদ টাকা তুলে নিচ্ছেন।

জানা গেছে এসব অর্থের মালিক যে কোনো ফর্মে ঢাকা আহছানিয়া মিশন হলেও লুটে নিচ্ছে ডামের অস্থায়ী চোর সিন্ডিকেট।

এদিকে চোর সিন্ডিকেটকে রক্ষায় মাঠে নেমেছে ঘুষে অডিট কোম্পানী সেক্রেটারি হিসাবী চোর সিন্ডিকেটের সদস্য সচিব মো: রফিকুজ্জামান রফিক।

ঘুষে অডিট রফিক নাকি হয়েছেন ডামের অডিট চিফ। ডামে লুটেপুটে খাওয়া চোর সিন্ডিকেটকে রক্ষায় অডিট টিম নামিয়ে দিয়েছেন আলোকিত বাংলাদেশে।
এখানে ডেপুটেশনে কাজ করছে রফিকের বাল্যবন্ধু আবুল কালাম আজাদ। বেতনের নামে আজাদ গত দু বছরের অধিক সময় ধরে লাখ লাখ টাকা লুটে নিয়েছে। যার কোনো অনুমোদন সম্পাদব ও প্রকাশকের নেই।

অভিযোগ রয়েছে বাল্য বন্ধু আজাদকে রক্ষার নামে অডিট রফিক তার অডিট টিম নিয়ে অডিট করাচ্ছেন আলোকিত বাংলাদেশে। বন্ধুকে নিয়ে লুটপুটে খাওয়ার তথ্য জানাজানি হলে এই অডিটের আয়োজন করেছে ঘুষে রফিক।এর আগে গতক ২ বছরে একবারও অডিট করেনি ঘুষে রফিক।

এর আগে ডামের ট্রেজারার মুখোশপড়া আরেক চোর ডা. এম এ জলিল আলোকিত বাংলাদেশের অডিটের নেতৃত্ব দিয়ে অডিট করিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেও ডামের ক্যান্সার হাসপাতালে ঢুকে লুটেপুটে খাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। জলিলকে ক্যান্সার হাসপাতালে লুটেপুটে খেতে সুযোগ করে দেন চোর সিন্ডিকেটের আহবায়ক হিসাবে পরিচিত ড. গোলাম রহমান।

অভিযোগ রয়েছে ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি গোলাম রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্টানগুলোতে বাগধা-গলধা চিংড়ি খেয়ে আর নগদ গ্রহণ করে ডামের প্রতিষ্ঠানগুলো অসৎ লোকদের হাতে দায়িত্ব দিয়েছেন ড. গোলাম রহমান।

এদিকে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের নির্বাহী কমিটির সদস্যরা গোলামের এসব বিষয় জেনেও কেনো না জানার ভান করে এড়িয়ে চলছেন তা নিয়েও চলছে ডাম কর্মিদের মধ্যে হচ্ছে নানারকম কানাঘুষা।

খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের আলোচিত দুর্নীতিবাজ ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সাথে জেলে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার সেবায় প্রতিষ্টিত ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের চেয়ারে।

মামলা থেকে বাচঁতে ও গ্রেপ্তার এড়াতে মানবতার সেবার মুখোশ পড়ে পট পরিবর্তনের আগে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের সহায়তায় ভন্ড প্রতারক ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম রহমান ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করে এখনো বসে আছেন।

চেয়ার দখল করেই গোলাম এসব ভয়াবহ জালিয়াতি ও প্রতারণায় জড়িয়েছেন। চোরে কি শুণে ধর্মের কাহিনী?

জানা গেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সম্পদ নানাভাবে তছরুপ করছেন,করাচ্ছেন।তিনি ডামের অঙ্গ-প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশে হরিলুটে লিপ্ত। সাথে যুক্ত আছেন কোম্পানী সেক্রেটারী ঘুষে অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামান রফিক ও তার বন্ধু আবুল কালাম আজাদ।

সুত্র জানায় চক্রটি আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডকে অন্ধকারে রেখে আলোকিত বাংলাদেশের আয় করা অর্থের শ্রাদ্ধ করতে গোলাম নিজে এবং তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক আবুল কালাম আজাদকে চেক স্বাক্ষর করাচ্ছেন সাথে রেখেছেন ডামে কর্মরত একজনকেউ। যা জালিয়াতচক্র হিসাবে চিহ্নিত।

অভিযোগ রয়েছে গোলাম রহমান আলোকিত বাংলাদেশে নিয়োগ-পদায়ন ও কোনো ব্যক্তিকে চেক স্বাক্ষর করার নির্দেশনা বা কোনো সিদ্ধান্তই দেওয়ার এখতেয়ার তার না থাকা সত্বেও লুটেপুটে খেতে যা ইচ্ছে তাই করছেন। তবে এসব সিদ্ধান্ত প্রদানের একমাত্র সম্পাদক ও প্রকাশকের।

এদিকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন গোলামচক্র।

গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারণা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা। অর্ধমৃত অবস্থায় বেছানায় পড়ে আছেন। প্রশ্ন হচ্ছে কোন আইনে গোলাম রহমান এনব করছেন?আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড কোথায়?

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!