বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

ডামের গোলাম রহমান প্রতারকচক্র নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সাথে প্রতারনা করছেন!

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

ডামের গোলাম রহমান প্রতারকচক্র নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সাথে প্রতারনা করছেন!

আইন অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) প্রতারক চক্রের হাতে পরেছে। এর নের্তৃত্ব দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তিনি সুকৌশলে প্রতারকচক্র নিয়ে প্রতারনা করে চলছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সাথে। ডামের সুত্র থেকে জানা গেছে ডামের দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে প্রিন্টার্স লাইনে নাম ছাপা হচ্ছে কাজী রফিকুল আলমের। অথচ তিনি গত ২ বছর আগে সম্পাদক ও প্রকাশকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ষিয়টি ডামের রফিকুজ্জামান রফিক নামের একজন নিশ্চিত করেছেন। শুধু কি তাই গোলাম রহমান বায়ুবীয় ক্ষমতাবলে তার এক মাইম্যানকে আলোকিত বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক পদে বসিয়ে লাখ টাকা বেতন দিয়ে নিজেও কিছু কমিশন খাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা গোলাম রহমান কোনোভাবেই পারেননা। আইন তাকে অনুমোদন করেনা। তথ্য গোপন করে আলোকিত বাংলাদেশের প্রিন্টার্স লাইনে পদত্যাগ করা কাজী রফিকুল আলমের নাম ছেপে গত ২ বছর যাবত প্রতারনা করে যাচ্ছেন গোলাম রহমান। তিনি তার মাইম্যানকে দিয়ে এসব করাচ্ছেন যা বেআইনি। যার আইনগত কোনো ভিক্তি নেই। পদত্যাগ বা নতুর সম্পাদক নিয়োগের বিষয়টি ঢাকা জেলা প্রশাসক ও  জেলা ম্যাজিস্ট্রেকে জানায়নি গোলাম রহমান। কাজী রফিকুল আলম বর্তমানে অত্যান্ত অসুস্থ কথা বলতে পারেন না। বিছানায় শুয়ে থাকেন, চলাফেরাও বন্ধ। এইভাবে পত্রিকাটিতে তার নাম ছেপে একদিকে যেমন কাজী িেফকুল আলমকে হেয় করছেন অন্যদিকে অপরাধী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করছেন। যা কাজী রফিকুল আলম এসবের কিছুই জানেন না। আর এসবই করছেন বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম রহমান ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উন্নয়নে কোনো অবদান রাখতে না পারলেও নানারকম অনৈতিক-নীতিহীন কাজ করে ডামকে সমালোচিনার মুখে ফেলেছেন। খরচ করছেন নানাখাতে। 
অভিযোগ রয়েছে গোলাম রহমান তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মানবতার কাজে নিবেদিত ঢাকা াাহসানিয়া মিশন এখন লুটপাটের ক্ষেত্র পরিণত করছেন। গোলাম রহমানের দিকনির্দেশনায় নানারকম অনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য জানার জন্য তার মুটোফোনে কল করলেও রিসিভি করেননি। সুত্র জানায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশের একটি অলাভজনক সমাজসেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যেটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত গরিব, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে।সমাজসংস্কারক ও সুফি খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে।
এই মিশনটি ১৯৫৮ সালে খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এনজিওগুলির মধ্যে একটি এবং এটি ১.৯ মিলিয়ন নারীকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জনে সহায়তা করেছে। আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ডিটেকশন এবং ট্রিটমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে। এটির তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যাদের নাম আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও আহ্ছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি মেডিকেল কলেজ আহ্ছানিয়া মিশন মেডিকেল কলেজ, দেশের প্রথম বেসরকারি শিক্ষক কলেজ: খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।মিশনটি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, আহসানুল্লাহ ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি, আহসানউল্লাহ মিশন কলেজ এবং ওয়ার্কিং ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ফর ওয়ার্কিং চাইল্ডস প্রতিষ্ঠা করেছিল। এটি হজ ফাইন্যান্স কোম্পানি,বইবাজার, নাগরদোলা,এবং আহসানিয়া-মালয়েশিয়া হজ্জ মিশন সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক কল্যাণ সংস্থা পরিচালনা করে। ২০১৪ সালে আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার এবং জেনারেল হাসপাতাল চালু করে, বলা হয় এটি বাংলাদেশে বৃহত্তম ক্যান্সার হাসপাতাল।
জানা গেছে ঢাকা আহসানিয়া মিশন বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসনে কাজ করে, বিশেষ করে তামাক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ সড়ক, মাদকদ্রব্য বিরোধী কর্মসূচি ইত্যাদিতে। তারা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ক্যাম্পেইন, মানববন্ধন এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজসেবকদেও মতে এমন প্রতিষ্টানে প্রতারকচক্রের প্রবেশ হলো কিভাবে? প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের মতো এমন বয়োবৃদ্ধ প্রায় শত বছর বয়সি মানুষ দিয়ে ডাম চলতে পারেনা। এতে করে প্রতারকচক্রই লাভবান হবে। বিপুল পরিমান সহায়-সম্পদের অধীকারী ডাম এখন দেওয়ালিয়ার পথে। দান-খয়রাত নাই বললেই চলে। নিজেরা লুটেপুটে খায় বলে দান-কয়রাতও আসে না। বর্তমান কমিটির প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান ডামের উন্নয়নে কোনো ফান্ডসংগ্রহ করতে না পারলেও ডামের নামে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সম্পদ এখন নানাভাবে গিলে খাওয়ার ফন্দিফিকির করছেন। আরও বিস্তারিত আসছে---

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!