বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২

আতশবাজির বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে নববর্ষ উদযাপন

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ১০:১৫ পিএম

আতশবাজির বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে নববর্ষ উদযাপন

ডেইলি খবর ডেস্ক:  রঙিন আতশবাজির ঝলকানিসহ নানা আয়োজনে সারা বিশ্বে উদযাপিত হচ্ছে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ। সময়ের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে নতুন বছর ২০২৬ এর প্রথম প্রহর আসে এবং আতশবাজির ঝলকানিতে বর্ণিল হয়ে ওঠে আকাশ।
এবছর প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতিতে বিশ্বে সর্বপ্রথম নতুন খ্রিস্টীয় বর্ষ ২০২৬ কে স্বাগত জানানো হয়েছে। এই এলাকাটি হাওয়াইয়ের দক্ষিণে এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। কিরিবাতি ১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীন হয়। এই দ্বীপরাষ্ট্রের জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার। খবর বিবিসির।
এরপরই নিউজিল্যান্ডের চ্যাথাম দ্বীপের বাসিন্দারা ২০২৬ সালকে স্বাগত জানায়। এ দ্বীপে ৬০০ জন বসবাস করে। এরপর প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি দেশ নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা ও সামোয়াতে বর্ষবরণ উৎসব শুরু হয়। মূলত আতশবাজি ফুটিয়ে খ্রিস্টীয় নববর্ষ উপদযাপন করা হয়। এর সঙ্গে যোগ হয় নাচ, গান ও বিশেষ খাবার উপভোগ। আতশবাজির ঝলকানিতে অকল্যান্ডের আকাশ মধ্যরাতে আলোকিত হয়ে যায়। প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য দেশ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, টুভালু ও নাউরুতেও উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ উৎসব।
অন্যদিকে, সিডনির আকাশ আলোকিত হয়েছে আতশবাজির বর্ণিল আলোতে। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন অনেক আগে থেকেই। এ অনুষ্ঠান উপভোগ করতে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এরপর অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ব্রিসবেন ও গ্রেট ব্যারিয়াও শুরু বর্ষবরণ।
এরপর ২০২৬ সালে পদার্পণ করা দেশগুলোর ক্লাবে যোগ দেয় জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া।  বড় বড় মন্দিরে ঘণ্টা বাজানোসহ নানা আয়োজনে দেশগুলোর বাসিন্দারা নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। এরপর ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ চীন এবং ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার কিছু অংশে নতুন বছর উদযাপন অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপরপরই নতুন বর্ষ উদযাপনে যোগ দেয় আরও কিছু দেশ—মঙ্গোলিয়া, তাইওয়ান, ব্রæরুনাই, রাশিয়ার ইরকুটস্ক,পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ, হংকং, সিঙ্গাপুর, ম্যাকাও এবং অ্যান্টার্কটিকার কিছু অঞ্চল।
এশিয়াজুড়ে ইতোমধ্যে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে জাকার্তা, বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। সর্বত্রই আতশবাজি ফুটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। এ ছাড়া দর্শনীয় ড্রোন প্রদর্শনী ও উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে এশিয়ার দেশগুলো।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!