শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

মাছ-সবজির দাম চড়া বাজারে, বেড়েছে চাল-ডালও

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৬, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

মাছ-সবজির দাম চড়া বাজারে, বেড়েছে চাল-ডালও

ডেইলি খবর ডেস্ক: বাঙালি ‘মাছে-ভাতে হলের বাঙালি’র এই পরিচয় খাদ্যসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে মাছ, চাল, ডাল ও সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের চড়া দামে সেই চিরচেনা খাদ্যাভ্যাস ধরে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের জন্য। রাজধানীর বাজারে মাছ ও আগাম শীতকালীন সবজির দাম বেশ চড়া। পাশাপাশি কয়েক ধরনের ডালের দামও বেড়েছে। তবে ডিম ও মুরগির দাম রয়েছে প্রায় অপরিবর্তিত। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে রুই-কাতলা থেকে শুরু করে তেলাপিয়া, কৈ-পাঙাশ ও ছোট মাছ—সব ধরনের মাছ কিনতেই ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। রুই-কাতলা ওজনভেদে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়। তেলাপিয়া মিলছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। চাষের কৈ ও পাঙ্গাশের দামও কেজিতে ২০০ টাকার নিচে নয়। আর শিংসহ ছোট মাছ কিনতে খরচ হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।

অন্যদিকে, রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চালের দামেও রয়েছে ভিন্নতা। ২৮ ও পাইজাম চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। স্বর্ণা চালের দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৯০ টাকায়। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা কমেছে সুগন্ধি চিনিগুড়া চালের দাম।

আগাম শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করলেও দাম এখনও চড়া। বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে অন্তত ৫০ টাকায়। শিমের কেজি ১২০ টাকা। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ১২০ টাকা এবং করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

এ ছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। কাঁকরোলের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। পটল, ঢেঁড়স ও মুলার দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫৫ টাকা, বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। তবে অন্যান্য সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।সবজির পাশাপাশি বেড়েছে কয়েক ধরনের ডালের দামও। ছোলা, বুট, মুগ ও মটর ডালের দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে।

তবে ডিমের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা এবং হাঁসের ডিমের ডজন ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। মুরগির দামও রয়েছে স্থিতিশীল।

এদিকে, ভোজ্যতেলের বাজারেও দামের খুব একটা পরিবর্তন নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের লিটার ১৯০ টাকা এবং পাম তেল ১৭৫ টাকা।

মাছ, চাল ও সবজির চড়া দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও পরিবারের দৈনন্দিন খাবারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষকে।সংগৃহীত ছবি

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!