আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ট্রেজারার এম এ জলিল লুটপাট করে এলোমেলো করে ফেলেছেন আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (এএমসিজি এইচ)।
মানবিক মূল্যবোধ হারানো সুচতুর জলিল ফন্দিফিকির করে নানারকম কৌশলে ও ঠিকাদারি কাজের কমিশন নিয়ে এই হাসপাতাল থেকে কোটি টাকা ধান্ধাবাজী করে আবার এই হাসপাতালেই কিছু টাকা দান করে মানবতার ফেরিওয়ালা হচ্ছেন। নিজেও নাকি একটি হাসপাতালের মালিক।
সুত্রগুলো জানায় মুখোশপড়া ধান্ধাবাজ জলিল প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমানকে নয়ছয় বুঝিয়ে হাসপাতালটিতে মাইম্যান নিয়োগ দিয়ে এই নিয়োগকৃত লোকদের দিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি-উন্নয়ন কাজের কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কোনোরকম পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ৩২ বছর বয়সি আসিফকে হাসপাতালের অ্যাসিসটেন্ট পরিচালক নিয়োগ করেন জলিল। তিনি মাইম্যান ঠিকাদার দিয়ে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কাজ করিয়েছেন। একাজের বিল প্রদান নিয়ে নানা কাহিনী রয়েছে। আর্নেষ্ট মানি জমা নিয়ে আছে নানারক গোজামিল।
আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালটি নির্মাণের পর এর ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত ডামের যারাই দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের কেউ ক্যাশ কাউন্টারের স্থান সরায়নি। কিন্তু জলিল কেনো সরায়লেন? প্রশ্ন উছেছে এমন অযোগ্য লোককে এই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হলো কেনো। গোরাম রহমান কি সুবিধার বিনিময়ে ডামের ট্রেজারার জলিলকে এমন দায়িত্ব দিলেন।
জানা গেছে জলিল দায়িত্ব পেয়েই আসিফ নামের মাইম্যানকে পরিচালক হাসপাতাল নিয়োগ দিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন! তিনি জুলাই বিরোধী লোক নিয়োগ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মানবতার ফেরিওয়ালার ভাবধরে থাকা জলিল একাধিক কর্মিকে চাকরিচ্যুতও করেছেন। হাসপাতালটির উন্নয়ন-রক্ষণাবেক্ষন ও ঠিকাদারী কাজের কমিশন আদায় এবং নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে পোষাক সাপ্লাই, প্রতি সপ্তাহে ময়লা বিক্রির অর্থ হাতিয়ে নেওয়া থেকে পর্যায়ক্রমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার স্বপ্নে বিভোর থাকা জলিল এখন এলোমেলো হয়ে পরেছেন।
ডাম ট্রেজার ডা, এম এ জলিলের নানারকম অডিও রেকর্ড ডেইলি খবরের হাতে এসেছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে জলিলের সাথে মুটোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
দেশ ও মানুষের কল্যাণে দেশ-বিদেশের জরগণ ও নানা প্রতিষ্ঠানের দানে গড়ে তোলা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মাধ্যমে রাজধানীর উওরায় আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও ডামের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অদুরদর্শীতা আর একশ্রেণির লোভী-দুর্নীতিবাজ লোকদের কারণে আজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। মানবতার ফেরিওয়ালার আড়ালে মুখোশ পড়া লোভী লোকদের হাত থেকে এটিকে রক্ষা করে সত্যিকারে মানুষের সেবায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলে হাসপাতালের একাধিক কর্মি মনে করেন।
ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম আর তার মাইম্যান-কলারম্যান দিয়ে ডামকে মাকড়শার মতো ঘিরে ফেলেছে। সুত্র জানায় ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে ডামের নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ আজ বিলুপ্তির পথে ধাবিত হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান বেচেঁ দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়ার কথাও শুনা যাচ্ছে।
ডাম সুত্র জানায় খু:বি; ভিসির দায়িত্ব থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা, মানব সেবায় অন অভিজ্ঞ দেশের কল্যাণে যার তেমন কোনো অর্জন নেই, একজন অপেশাদার মুখোশপড়া উচ্চশিক্ষিত ভন্ড লোক কুটকৌশলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন। যিনি নূন্যতম মানবতার সেবার মানসিকতার লোক না হয়েও কিভাবে তিনি মানবতার নেবার প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হলেন? শুধু নিজের লোভের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং দুর্নীতির মামলা ও অপরাধ থেকে বাচঁতে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম বসেছেন ডামে।
প্রশ্ন হচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন? খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা জেল হাজতে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার কল্যাণের প্রতিষ্ঠানে। গোলামের অপর মাইম্যান কোম্পানীরর সচিব মো: রফিকুজ্জামান রফিক। তিনি আবার ঘুসে অডিট দায়িত্ব পাওয়া নতুন মুখ।
ডাম সুত্র জানায় গোলাম আঞলিকতার উপর ভর করে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের পরিচিত, মানুষের সেবাদানকারি একাধিক কর্মিকে ছাটাই করেছেন। রমজান মাসে-ঈদের আগে কর্মি চাকরিচ্যুত করা-বেতন-ভাতা বন্ধ করা এ কেমনর আচরন সভ্যতা। গোলামরা নাকি মানবতার ফেরিওয়ালা! চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :