আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে দরবেশের ব্যাশ ধরে প্রেসিডেন্টের পদে বসে আছেন প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তাকে দরবেশের মতো দেখা গেলেও তিনি আসলে দরবেশের মুখোশ পরেছেন। দির্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। নামের সাথে পিএইচডিও আছে। কিন্তু লোকে বলে তিনি অমানবিক মানসিকতার ভদ্রবেশী মুখোশপড়া ফ্যাসিবাদের দোসর। ডামের এই প্রফেসর ড. গোলাম রহমান খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে চাকরিকালিন নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আড়াল করতে দেশের আরেক শয়তান সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের (বর্তমানে জেলে আছে) কাদেঁ ভর করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) এ ঢুকেছেন। এটি একটি দেশ ও মানবতার সেবা-কল্যাণের এনজিও। অভিযোগ রয়েছে গোলাম ডামে কুটকৌশলে প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল-ক্যু করে ডামেরই এক শ্রেণির চোর-বাটপার আর মাস্তান সঙ্গে নিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করেছেন। সাতক্ষিরার জনৈক আবুল কালাম আজাদ নামের এক মাস্তানকে ডামের অ্যাকাউন্ট পদে চাকরি দিয়ে পরে ডেপুটেশনে পাঠিয়ে ডামের নিয়ন্ত্রাধীন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ দখল করিয়েছেন। শুধু কি তাই, জানা যায় নিজে সুবিধা পেতে বায়বীয় ক্ষমতায় গোলাম ওই হিসাবরক্ষককে আবার যুগ্মসম্পাদক পদেও নাকি পদোন্নতি দিয়ে সোনার পাথরের বাটিতে বসিয়েছেন। যা শুধু বে-আইনিই নয়, সংঘবদ্ধ অপরাধ। সুত্র জানায় বাল্যজীবন থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত যেসব অপরাধ গোলাম রপ্ত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তা তিনি বৃদ্ধ বয়সে এসে অন্যকে শিখাচ্ছেন। কি ক্ষমতাবলে তিনি আলোকিত বাংলাদেশে দখলদারিত্ব কায়েম করলেন? তিনি নাকি প্রফেসর? পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে একজন অসুস্থ লোকের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা করছেন। গোলাম নিজে পত্রিকাটির কোনো দায়িত্ব-দায়ভার কিছুই নিচ্ছেননা কেনো এটা কি তার প্রতারণার কৌশল? বায়বীয় ক্ষমতাবলে কোনো কোনে সময়ে নানারকম কাগজে সই করেন আবার সিন লেখেন। যা মতলববাজরা সেটাকে অনুমোদন বলে চালিয়ে ফায়দা লুটছে তার চোখের সামনেই। এভাবেই তিনি তার বায়বীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন দেখাচ্ছেন যা বে আইনি এবং অপরাধ। এভাবেই নানারক তথ্য গোপন করে পত্রিকাটিতে অপেশাদার মাস্তান দিয়ে চালাচ্ছেন গোলাম রহমান। সরকারী তদন্তে ধরা পরলে বলেন আলোকিত বাংলাদেশের সাথে আমি (গোলাম রহমান) সম্পৃক্ত নই। যার নাম সম্পাদক-প্রকাশক (কাজী রফিকুল আলম) হিসাবে ছাপা হচ্ছে তিনিই সব। অথচ যার নাম প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক-প্রকাক্শক হিসাবে ছাপা হচ্ছে তিনি কিছুই জানেননা, কারন তিনি প্রচন্ড অসুস্থ কথা বলতে পারেননা, সম্পাদক-প্রকাশক-এর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অনেক আগেই। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে প্রফেসর ড, গোলাম রহমানের এমন জোচ্চরি প্রতারণা করছেন কেনো? দায় নেবেননা মাদবরিতে আছেন? অভিযোগ রয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) নিয়ন্ত্রিত দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে কর্মরত একজন ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের প্রায় ২ বছরের বেতন-ভাতা কোনো কারণ ছাড়াই আটক করেছেন ওই গোলাম-আজাদ গং। প্রতিষ্ঠানটিতে আরও যারা পাওনা আছেন এবং যাদের বেতন বকেয়া আছে তাদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে ছলচাতুরি করে অমানবিক আচরন করছেন ডাম গোলাম। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-ডাম, দেশ সেবায় ও মানুষের কল্যানে কাজ করলেও তাদের ধানমন্ডির হেড অফিসে ধাপে ধাপে সুযোগ-সন্ধানি দুর্নীতিবাজ পাইক-পেয়াদারের সংখ্যা বাড়ছে। গোলাম রহমান তার নের্তৃত্বে আছেন বলে জানা গেছে। ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অতীত-বর্তমান কর্মকান্ড নিয়ে ডেইলি খবরের সাংবাদিক টিমের তথ্য অনুসন্ধান চলছে। বিস্তারিত আগামীতে আসছে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :