সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

গোলাম-এহসানুর সিন্ডিকেটে ধ্বংস হচ্ছে ডাম: নারী কেলেংকারির অভিযোগসহ ভুয়া ডিগ্রিধারী এখন ডামের জেনারেল সেক্রেটারি

আইন-অপরাধ ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম

গোলাম-এহসানুর সিন্ডিকেটে ধ্বংস হচ্ছে ডাম: নারী কেলেংকারির অভিযোগসহ ভুয়া ডিগ্রিধারী এখন ডামের জেনারেল সেক্রেটারি

অপরাধ ডেস্ক : ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে শকুনের নজর পড়েছে। মানব কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত ডামে এখন একাধিক নারী কেলেংকারি ও ভয়া পিএইচডি ডিগ্রিধারী এবং ইউনেস্কোর অনুদান বিনষ্ঠকারী ব্যক্তিই ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনের জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস)। তার নাম ড. এম এহসানুর রহমান। তিনি এমন সব গুরুতর অভিযোগ নিয়ে কিভাবে ডামের জিএস হলেন? এনিয়ে চলছে নানারকম সমালোচনা। প্রশ্ন হচ্ছে এহসানুর নিজের এমন অতীত কালিমালিপ্ত চরিত্র নিয়ে মানবতার সেবা করছেন কিভাবে? এর আগে তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারির গুরুতর অভিযোগ প্রমান হওয়ায় ইউনেস্কোর বিশাল আর্থিক অনুদান থেকে বন্চিত হয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-ডাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্রগুলো এসব তথ্য জানায়। সুত্র মতে ডামে কর্মরত এক মধ্যবয়সি নারী কর্মির সাথেও এহসানুর পরকিয়ায় জড়িয়েছিলেন। ভদ্র লোকের মুখোশ পরে এহসানুর ডামের নানারকম অনৈতিক কমকান্ডে জড়ালেও তার বিচার বা শাস্তি কোনটাই হয়নি। নৈতিক স্খলনজনিত কারণ থাকা সত্বেও কোন জাদুবলে তিনি হয়ে যান ডামের জিএস। 
এদিকে একটি বিশ^স্ত সুত্র জানায় ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া মূল্যবান সম্পদ ডামের জমি ঢাকার সন্নিকটে (সাভার-আশুলিয়ায়) থাকা কয়েক বিঘা চমি বিক্রি করার ফন্দিফিকির করছেন মতলববাজ ফ্যাসিবাদের দোসর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তার সাথে একটি লুটপাট সিন্ডিকেট যুক্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে জিএস এহসানুর নেতৃত্ব ও শলাপরামর্শ দিচ্ছেন। সুত্র জানায় সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম জীবনের প্রায় অর্ধশত বছর বিনাপারিশ্রমে ব্যাপক পরিশ্রম করে ডামের নামে প্রচুর সম্পদ দান-খয়রাত আহরণের মাধ্যমে গড়ে তুলেছিলেন ডামের নামে ৪০টিরও বেশী প্রতিষ্ঠান। ডামে তার রেখে যাওয়া মূল্যবান সম্পদ এখন বেচা-বিক্রির মাধ্যমে অর্থ লোপাটের ষড়যন্ত্র করছেন গোলাম-এহসানুর সিন্ডিকেট।
সুত্র জানায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অত্যান্ত সুনাম অর্জনকারি প্রতিষ্ঠান আহ্ছানিয়া হজ্জ মিশন আজ ধ্বংস ও বিলুপ্তির পথে নিয়ে যাওয়া হযেছে। হজ্জ মিশনের নামে রাখা অর্থও তছরুপ হযেছে। কাজী রফিকুল আলমের হাতে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আসা অর্থও লোপাট হয়েছে। মাইক্রেক্রোফাইন্যান্স প্রোগামের অর্থও লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। ডামের জমিগুলোও বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নামে লিজ বা বর্গা দিয়ে ফসল বিক্রির অর্থও তছরুপ হয়েছে। সুত্র জানায় সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই তার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান এখন অর্থলোভী,বাটপার ও লুটপাটবারিদের হাতে পরেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে ডামের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। 
নিরবে-লুকিয়ে লুটপাট করাসহ কি হচ্ছে ডামে এনিয়ে আগামী পর্বে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকবে ডেইলি খবরে..

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!