বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাড়ছে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাড়ছে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি খবর ডেস্ক: দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো স্থাপন করা হলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে অপর এক প্রশ্নে উওরে প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজন বিবেচনায় বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাস্তবভিত্তিক ও সাশ্রয়ী পরিকল্পনা গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রশিক্ষণের জন্য নতুন রানওয়ে ও বিমানঘাঁটি নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথক বিমানঘাঁটি, রানওয়ে এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্প ও পরিবহন অবকাঠামো দেশের সর্বত্র সমভাবে বিস্তৃত নয়। ফলে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসব বাস্তবতা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন রানওয়ে ও বিমানঘাঁটি নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান সুবিধাসমূহের যথাযথ ব্যবহার অধিক বাস্তবসম্মত। এতে বিপুল অর্থ ব্যয় ও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন যেমন কমবে, তেমনি বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।সংগৃহীত ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!