রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফ্যাসিবাদের দোসর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ারে বসে এখনো লুটেপুটে খাচ্ছে !

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১০:৪১ পিএম

ফ্যাসিবাদের দোসর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ারে বসে এখনো লুটেপুটে খাচ্ছে  !

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের চেয়ারে বসে এখনো লুটেপুটে খাচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমান।

ফ্যাসিবাদ  আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি শিক্ষামন্ত্রী নরুল ইসলাম নাহিদ ও ডা. দীপুমনির ঘনিষ্টজন হিসাবে পরিচিত দোসর ছিলেন।

জানা গেছে সাবেক স্বৈচারের সুবিধাভোগী খুবির দুর্নীতিবাজ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ফ্যাসিবাদের হাত ধরেই খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ পেয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসির দায়িত্ব পালনকারী সুযোগ সন্ধানী ফ্যাসিবাদের দোসর খুবির দুর্নীতিবাজ এই প্রফেসর ড. গোলাম রহমান এখন ঢাকা আহছানিয়া মিশন নামের একটি এনজিওর প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করে এখনো বসে আছেন। চোর সিন্ডিকেট নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের তৈরি করা ক্যান্সার হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্টান আউটসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে মাসে মাসে কোটি কোটি টাকা কমিশন বাবদ এনে ডাম পরিচালন ব্যয় দেখিয়ে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন গোলাম রহমান।

জানা গেছে বর্তমানে জেলে থাকা ফ্যাসিবাদের আরেক দোসর ফ্যাসিস্ট সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে সঙ্গে নিয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যখ্যানে পালিযে যাওয়া আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমকে হটিয়ে প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করেন গোলাম রহমান। সেই থেকে এখনো ডামে এখনো আছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, কি মধু আছে ডামে।

স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তার দোসর গোলাম রহমান এখনো বহাল তবিয়তে আছেন ঢাকা আহছানিযা মিশনের চেয়ারে। এখানে তিনি সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে সিন্ডিকেট করে লুটেপুটে খাচ্ছেন।

ডামে বিনাবেতনে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করবেন বলে অঙ্গীকারের কথা বলা হলেও ডাম থেকে ড্রাইভারসহ পাজারো গাড়ি নিয়ে চলাচল করছেন পারিবাকি কাজে।এতে প্রতিমাসে ডামের বিপুল পরিমান অর্থের অপচয় করছেন গোলাম।

সুত্র জানায় গোলামের মলমুত্র ত্যাগ করার খরচ থেকে সার্বিক খরচ ডাম থেকে তিনি নিচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এক সময়ের আলোচিত-সমালোচিত দুর্নীতিবাজ সাবেক ভিসি প্রফেসর ড.গোলাম রহমান দুর্নীতিবাজ ভন্ড মিথ্যাবাদি প্রতারক।তিনি কিভাবে এখনো ডামে আছেন?

নীতি-নৈতিকতা হারানো গোলাম রহমান মানবতার সেবায় গড়া এনজিও ঢাকা আহছানিয়া মিশনে কি কাজ করছেন?

ফ্যাসিস্ট গোলাম আইনশৃংখলা বাহিনীর হাত থেকে বাচঁতে ও গ্রেপ্তার এড়াতে মানবতার মুখোশ পরে ডামের আশ্রয়েই আছেন তিনি।

গোলাম রহমান সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া সস্পদ চোর সিন্ডিকেট নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।তবে এসব অভিযোগের কোনো জবাব দেননা তিনি।কৌশলে এড়িয়ে যান।ফোন ধরেন না।

গোলামের কাছের একাধিক ব্যক্তি মনে করেন কাজি রফিকুল আলমকে অন্ধকারে রেখে বাটপার মিথ্যাবাদি না হলে একজন প্রফেসর এমন নষ্ট-ভ্রষ্ট হলেন কিভাবে?

একজন নাতির বয়সি চোরকে সঙ্গে নিয়ে ডামের প্রতিষ্ঠান আলোকিত বাংলাদেশে লুটপাট করছেন কিভাবে? তাকে এসব খারাপ কাজের জবাব একদিন দিতে হবে।

অভিযোগ রয়েছে এরআগে ডাম দখল করেই সিন্ডিকেট নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া ডামের সম্পদ ও প্রতিষ্টানের অর্থ লুটেপুটে-চেটেচুটে খেতে চোর সিন্ডিকেট নিয়ে  নেমে পরেন।

একজন অর্ধমৃত ব্যক্তি কোমায় থাকা সাবেক প্রেসিডেন্টের নাম আলোকিত বাংলাদেশের প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে সিন্ডিকেট নিয়ে লুটপাট করছেন।

কোমায় থাকা ব্যক্তির নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে লুটে নেওয়া এমন মানবতা বিরোধী জঘণ্য অপরাধ তিনি সিন্ডিকেট নিয়ে করে যাচ্ছেন।

সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের তৈরী করা এসব প্রতিষ্ঠানে দখলদারিত্ব ও নিজেরা লুটেপুটে খেতে সাথে নিয়েছেন ডামের  নির্বাহী কমিটির ট্রেজারার লোভী ডা. এমএ জলিলকে। এবং অডিট ঠিকঠাক রাখতে রেখেছেন কোম্পানী সেক্রেটারি ঘুষে অডিট হিসাবে পরিচিত রফিকুজ্জান রফিককে।

এদিকে খোজ নিয়ে জানা গেছে ফ্যাসিবাদের দোসরের এসব লুটপাট অপকর্ম দেখে-শুনে ফুসে উঠেছে ডামের কর্মরত সচেতন কর্মিরা।তারা ক্যান্সার হাসপাতালে গোলাম-জলিলের নিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করাসহ নানারকম প্রতিবাদ কর্মসুচি পালন করছে।এবং গোলাম সিন্ডিকেটকে তীব্র ঘৃণা করছে।

প্রতিবাদকারীদের প্রশ্ন হচ্ছে ডামে তাদের বেতন না বাড়িয়ে গোলামের মাইম্যান আজাদ লাখ টাকা বেতন বাড়িযে নিলো কিভাবে?

ডামে গোলামের নেতৃত্বে যারা লুটেপুটে খাচ্ছে তাদেরকে সনাক্ত করার পরও কেনো এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা?

গোলাম সিন্ডিকেটের আজাদ-রফিকের অপরাধ ঢাকতে মিডিয়া কর্মির মুখ বন্ধ রাখতে মানহানির মামলা করতে পারলেও নিজের পকেটে থাকা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন রকম ব্রবস্থা নিতে পারেননী গোলাম।

কর্মিদের প্রশ্ন গোলাম রহমান লুটপাটের সাথে জড়িত না হলে ব্যবস্থা নিচ্ছেনা কেনো?

অভিযোগ আছে লুটের টাকার ভাগ গোলামকে আজাদ নিয়মিত দিচ্ছে বলেই চুপ থাকছেন গোলাম। কিছু বললে ফাঁস করে দেবেন আজাদ।

এদিকে আলোকিত বাংলাদেশ দখলদারী ফ্যাসিবাদের মাইম্যান হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছেন আলোকিত বাংলাদেশের কতৃৃপক্ষ তিনি নিজেই। ফ্যাসিস্ট গোলাম রহমান ডামের পক্ষ থেকে তাকে নাকি এ দায়িত্ব দিয়েছেন।

আলোকিত বাংলাদেশে ডাম থেকে ডেপুটেশনে হিসাব রক্ষব পদে বদলী কাজে এসে ডামের এ প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ আজাদ হলো কিভাবে?

ডাম সুত্র জানায় সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমের অনুমোদন না নিয়ে ইচ্ছেমতো বেতন নিচ্ছে কিভাবে? কোমায় থাকা সম্পাদকের নাম পত্রিকার প্রিন্টার্স লাইলে ছেপে মানবতার মুখোশ পরে গোলাম মানবাধিকার লংঘন করে চলছেন। লুটে খাচ্ছেন।

গোলামচক্র নিজেরা লুটেপুটে খাচ্ছে নাম হচ্ছে কোমায় থাকা সম্পাদক কাজি রফিকুল আলমের।

ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম যেনো এসব অপরাধের জবাব না দিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে এজন্য ডামের সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডাম সংশ্লিষ্টরা মনে করেন খুবির দুর্নীতিবাজ গোলামের অবৈধ নির্দেশনায় ডামের অর্থ আলোকিত বাংলাদেশ থেকে গত আড়াই বছরে কি পরিমান লুটপাট হয়েছে তার সঠিক অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে।অন্যথায় লুটের অর্থ আদায়ে গোলাম সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!