ডেইলি খবর প্রতিবেদক: আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের নাম ভাঙ্গিয়ে। এবং ভুয়া রেজ্যুলেশন তৈরি করে জালিয়াত চক্রের হোতা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি (ডাম) প্রফেসর ড. গোলাম হেমান চোর চক্র নিয়ে লুটে খাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ। পাওনাদের পাওনা টাকাও দিচ্ছেনা।
সুত্র জানায় অবৈধ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের ছত্র-ছায়ায় চোর-বাটপারদের পদধ্বনিতে পত্রিকাটিতে অবৈধ পদ-পদবীতে ছড়াছড়ি-গড়াগড়ি খাচ্ছে।
যে যার মতো করে পদ-পদবী ঘোষনা দিয়ে বেতনের নামে গোলামের চোর সিন্ডিকেট লুটে নিচ্ছে ডামের সম্পদ আলোকিত বাংলাদেশের আয়ের টাকা।
পত্রিকাটির প্রিন্ট ভার্সনের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম। এবং আলোকিত বাংলাদেশ ডটকম অনলাইন স্বত্বাধিকারী/ মালিক কাজী রফিকুল আলম।
অভিযোগ রয়েছে চোর সিন্ডিকেট নিয়ে মশাল জালিয়ে কাজী রফিকুল আলমের মালিকাননাধীন সম্পদ লুটে খাচ্ছে গোলাম রহমান সিন্ডিকেট?
মিডিয়া আইনে যতক্ষন পর্যন্ত মালিকানা পরিবর্তন না আসবে ততক্ষন পর্যন্ত সম্পাদক ও প্রকাশক মৃতশয্যায় থাকলে কিংবা অক্ষম হলে তার সন্তানরাই এর দেখভালো করবেন। এবং সিগনেটারি হবেন।
যেহেতু ট্রেড লাইসেন্স আছে এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তাই এর মালিকানাও রফিকুল আলমের পরিবারের সদস্যােই দেখবেন মালিকানাও হবেন। যেহেকু আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অবস্থা হ-য-ব-র-ল।
ডাম সুত্রগুলো জানায় আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড-এর বড় শেয়ার হোল্ডার (৫ কোটি টাকা) পরিচালক এস আলম গ্রুপ-এর মাসুদ আলমের নাম নেই কোথাও। পর্ষদের ৭ জনের সভায় মাত্র ২ জন( গোলাম রহমান আর কাজী ওয়াহিদুল আলম) উপস্থিতি দেখিয়ে জালিয়াতি-বাটপারি রেজ্যুলেশন তৈরি করে ব্যাংকে দিয়ে সিগনেটারিও বদলিয়ে ফেলেছে।
সুত্র জানায় চোর চক্রকে রক্ষার জন্য কোম্পানি সেক্রেটারি ডামের ঘুষে অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামান রফিক এসব জালিয়াতির মিথ্যা বয়ান তৈরি করে ব্যাংকের সিগনেটারির পরিবর্তন এনে দেন। এবং গোলাম রহমানকে আলোকিত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। যার পুরো প্রত্রিয়াটিই ছিল জালিয়াতি-বাটপারির বয়ান।
এদিকে ডেইলি খবর সম্পাদক ও প্রকাশক বরাবরে এসবের জালিয়াতনামার বয়ান ডাম প্যাডে একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। তাতে ডামের উপপরিচালক প্রশাসন আনোয়ার হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে রফিকের পরামর্শে জোর করে স্বাক্ষর করিয়ে নেন গোলাম। তাতে ধান বানতে শীবের গীত গাওয়া হযেছে। আজাদকে দিয়ে যে বেতনের নামে চুরি-চামারি করাচ্ছেন তা নিয়ে গোলামের কোনো জবাব নাই।
প্রতিটি প্রতিবেদনে প্রশ্ন ছিল গোলামের মাইম্যান ডাম হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ আলোকিত বাংলাদেশে ডেপুটেশনে থেকে কিভাবে যুগ্ম সম্পাদক হলো? জীবনে কখনো সাংবাদিকতা না করে একজন হিসাব রক্ষক কিভাবে পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হলো? কে দিল এমন লুটপাটের সুযোগ?
ডাম সুত্র জানায় গোলামের জোচ্চুরি সিদ্ধান্ত ছাড়া আজাদ এসব অপরাধ করছে কেমনে? এবং লাখ টাকার উপরে বেতনের নামে লুটে নিয়ে যাচ্ছে কিভাবে? এসব অপরাধের সুস্পষ্ট জবাব কি? কে দিল তার এমন নিযোগ?
অভিযোগ রয়েছে আজাদ গোলামকে প্রচুর টাকা ঘুষ/সেলামী দিয়ে অবৈধ কাগজ সই করিয়ে নিয়ে এমন লুটপাট তার সিন্ডিকেট নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। যা অবৈধ জালিয়াতি। আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড-এর পর্ষদের একাধিক পরিচালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা এসবের কিছুই জানেন না। তারা এসব জালিয়াতির বয়ানে রিতিমত বিরক্ত। গোলামের কাছে এসবের কোনো জবাব নেই।
অভিযোগ রয়েছে আজাদের কাছ থেকে চোখের চিকিৎসার টাকা বাসায় চিংড়ি মাছ আর কিছু হাত খরচ পেয়েই প্রফেসর গোলাম তার নীতি-নৈতিকতা বুড়ো বয়সে যেনো ডামের হাসিরপাত্রে পরিণত হয়েছেন।
একাধিক ডাম কর্মি জানান ভিসি/শিক্ষক যে চোর হতে পারে এটা কোনো নতুর কিছু নয়। খুবির সাবেক ভিসি বর্তমানে ডাম সভাপতি গোলামকে দেখলে চোরের সজ্ঞার সাথে নতুন বয়ান জানতে হবে। চোরকে কিভাবে তিনি সুযোগ দিয়েছেন তা তার মাইম্যান আজাদকে না দেখলে ডামের কেউ বিশ^াস করত না গোলামই যে চোরের সর্দার?।
ডাম কোং সুত্র জানায় গত ১৫/০৭/২০২৬ খি: তারিখে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে প্রফেসর ড. গোরাম রহমানকে আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক করা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে বোর্ডে কোন কোন সদস্য এমন সিদ্ধন্ত দিয়েছেন সম্মতি জানিয়েছেন?
বোর্ডের ৭ সদস্যের মধ্যে মাত্র ২ জনের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত? পর্ষদের সবচেয়ে বড় অংশীদার এস আলম গ্রুপের পরিচালক কোথায়? তাদের কোনো প্রতিরিধি ছাড়া সিদ্ধান্ত হয় কিভাবে?
প্রশ্ন হচ্ছে সস্পাদক ও প্রকাশকের পদ থেকে ২ বছর আগে পদত্যাগ করলে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড গত ২ বছরের অধিক সময়েও ভারপ্রাপ্ত সসম্পাদকের পদে নিযোগের সিদ্ধান্ত নিতে পারলো না কেন?
প্রশ্ন হচ্ছে এই আড়াই বছরে কাজী রফিকুল আলমের অনুমতি ছাড়াই আলোকিত বাংলাদেশের সমস্ত আয়-ব্যয় কার নির্দেশে করা হয়েছে? আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো সিদ্ধান্তও নেই, তারা কিছুই জানেন না। সবই আজাদ-রফিক গং যা বলছেন তাই মেনে চলছেন ওদের সর্দার গোলাম রহমান।
অভিযোগ রয়েছে আজাদ-রফিক গং মিলে ডামের প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশ লুটে খাচ্ছে গোলামের সহযোগীতায়?
আবার এরই মধ্যে ডামে দোলন নামে (ডাক নাম) একজন পর্ষদে নতুর যুক্ত হয়ে সিগনেটারিও হয়েছেন। যিনি ডামে সারাক্ষণ নীতিবাক্য শুনাতেন বলে জানা গেছে।
প্রশ্ন হচ্ছে এই দোলন আলোকিত বাংলাদেশের অবৈধ কার্যক্রমের চোর সিন্ডিকেট সদস্য যুক্ত হলেন কেন? তিনি যদি ডামের পুরনো কর্মি হয়ে থাকেন তাহলে আজাদ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে শুনেই সিগনেটারি হতেন? গোলাম রহমান বলছেন আনন্দের আর সীমা নাই।
এদিকে আলোকিত বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম কর্তুক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী। তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি বা পাওনা না দিয়েই অবৈধভাবে চেয়ার দখল করেছেন শিক্ষিত বাটপার মিথ্যাবাদি লোভী প্রফেসর ড.গোলাম রহমান। এটা কি গোলামের অপরাধ নয়কি?
প্রশ্ন হচ্ছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড বৈধ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে অব্যাহতি না দিয়ে কোন আইনে গোলাম রহমানকে একই পদে নিয়োগ প্রদান করেন? এটা কি ক্রিমিনালী সিদ্ধান্ত নয়কি?
জানা গেছে শামীম সিদ্দিকী’র বকেয়া পাওনা বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় শ্রম আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। মামলা চলমান।
জানা গেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান এই পদটি দখল করেছেন।পত্রিকাটি ঢাকা আহছানিয়া মিশনের মালিকানা দাবি করে গোলাম রহমান ওই পদটি দখলে নেয়। যদিও পত্রিকাটির প্রকাশক/মালিকানা হিসাবে আছেন কাজী রফিকুল আলম।পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে প্রকাশক হিসাবে কাজী রফিকুল আলমের নাম ছাপা হচ্ছে।অনলাইন স্বত্বাধিকারীও তিনি।
ডাম সুত্র জানায় চোর সিন্ডিকেট নিয়ে আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক এবং ডামের সাবেক সভাপতি কাজী রফিকুল আলমকে কৌশলে হটিয়ে পত্রিকাটি দখল করেছেন গোলাম রহমান।
এরআগে অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ডামের সভাপতির পদও গোলাম রহমান দখল করে নেন। এতে সহযোগীতা নিয়েছিলেন ফ্যাসিবাদের দোসর সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের। বিষয়টি অস্বীকার করেছেন গোলাম রহমান। তবে খায়রুল হকের নাম দিয়ে ডামের অনুষ্টানের দাওয়াত কার্ড ছেপে ছিল।
জানা গেছে এই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও ফ্যাসিবাদের দোসর খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের আওয়ামী আমলের আলোচিত দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত ছিলেন। পুরোনো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার ডামের প্রফেসর ড. গোলাম রহমান তৈরি করেছেন চোর সিন্ডিকেট। চোর সদস্য যা বলে তাই তিনি করেন।
গোলামের চোর সিান্ডকেট শুধু অর্থই চুরি করে না তথ্যও চরি করে। এবং কাগজপাতিও জালিয়াতি করে। এবং নতুন নতুন বয়ান নিয়ে হাজির হচ্ছে, চলছে। তাই ডামে গোলামের চোর সিন্ডিকেট অপরাধমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :