শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আলোকিত বাংলাদেশে চোরকে সাথে রেখেই হচ্ছে অডিটের নামে সাপ-লুডুর খেলা !

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আলোকিত বাংলাদেশে চোরকে সাথে রেখেই হচ্ছে অডিটের নামে সাপ-লুডুর খেলা !

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহছানিয়া মিশনে চলছে সাপ-লুডুর খেলা। এখানে বড় চোর ছোট চোরকে চেয়ারে রেখেই অডিট করা হচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশের।

প্রশ্ন হচ্ছে যিনি লুটপাটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাকেই চেরারে রেখেই অডিট করা হচ্ছে।এ যেনো খূল যা সিম সিম। সাপ-লুডুর খেলা।

ডামের সভাপতি নির্বাহী কমিটিকে বোকা বানিয়ে খুবির দুর্নীতিবাজ বাটপার ডাম দখলকারি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান এসব দু নম্বরী অডিট করাচ্ছেন। এ যেনো শাক দিয়ে মাছ ঢাকা।

প্রশ্ন হচ্ছে চোর কি তার চুরির অপরাধ অডিটের কাছে স্বীকার করবে? কাগজের হিসাবের বাইরে বিজ্ঞাপনের নগদে আয় করা অর্থ লুটে নেওয়ার তথ্য অডিট টিম পাবে কোথায়? যারা তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে পারবে এমন কাউকেই ডাকা হয়নি, রাখা হয়নি। নাটকের অভিনয় শিল্পীরা নিজেরাই।

অফিসের নামে-বেনামে মানি রিসিপ্ট কয়টা ব্যবহার হয়েছে? অফিসের পেটি ক্যাশ থেকে সকালে ইচ্ছেমত নগদ টাকা নিয়ে শেয়ার ব্যবসা করা কিংবা নিজের ব্যক্তিগত কাজে অর্থ ব্যয় করাসহ আরও যেসব ব্যয় নানারকম ভূয়া বিল দেখিয়ে অর্থ নিয়ে যাওয়ার তথ্যের-হিসাব অডিট টিম পাবে কি?

এদিকে আলোকিত বাংলাদেশের লুটপাটের সমস্ত তথ্য জেনেও না জানার ভান করে নিজের অডিট টিম নামিয়ে দিয়েছেন ওই চোরের ঘনিষ্ট বন্ধু ডাম কো: সেক্রেটারি ঘুষে অডিট ঠিকাদার বাটপার ষড়যন্ত্রকারী ক্রিমিনাল মো: রফিকুজ্জামান রফিক।

অভিযোগ রয়েছে ঘুষ খাওয়া গোলাম রহমানকে নয়-ছয় বুঝিয়ে এসব করা হলেও ডামে চলছে এ নিয়ে নানারকম কানাঘুষা, সমালোচনা। এর কোনো জবাব তাদের কাছে নেই।

অভিযোগ রয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্টা করা প্রতিষ্ঠান আলোকিত বাংলাদেশ লুটপাট চক্রের কবলে পরেছে। এ নিয়ে অভিযোগ উঠলেও তদন্ত করা হয় না। প্রশ্ন হচ্ছে তদন্ত হবে কিভাবে? যারা তদন্ত করবেন তারাই নিজেদের ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ে ব্যস্ত?

ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্টান সিন্ডিকেট করে লুটে খাচ্ছে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ডামে আসা প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ও তার মাইম্যান হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

লুটের সাথে আরও রেখেছেন একাধিক পাইক-পেয়াদা, চ্যালা-চামুন্ডা।এবং ঘুসে অডিট ঠিকাদার কোম্পানী সেক্রেটারি রফিকুজ্জাসান রফিক। এরা ৩ জনই ডামে নবাগত। তারা ডামের ৭০ বছরের সুনাম নষ্ট করেছেন।

এদিকে ডামের এসব কতিপয় খারাপ লোকের বিরুদ্ধে ডেইলি খবরে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়েরর জন্য সমনজারি করিয়েছে গোলাম সিন্ডিকেট।

জানা গেছে ডেইলি খবরের সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে সেই দু বন্ধু লুটপাটকারি গোলামের গোলাম ক্রিমিনাল হিসাবে ডামে চিহ্নিত আজাদ-রফিক গং।

গোলামের এই মামলা দায়ের করার আবেদন নিয়ে সাংবাদিক সমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে বড় রড় সংগঠনগুলো নিন্দা জানিয়ে মামলার আরজি প্রত্যাহারের কথা বলে সকলেই বিবৃতি দিয়েছেন। সমালোচনার মধ্যে থেকেই চোরের মার বড় গলা নিয়ে এগিয়ে চলছেন গোলামের চোর সিন্ডিকেট।

অভিযোগ রয়েছে গোলামের সিন্ডিকেট লুটের টার্গেট করেছিল ডামের অঙ্গ-প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশকে। বেআইনীভাবে পরস্পর যোগসাজেসে প্রতিষ্টানটির আয় লুটে নিতে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে লেন-দেনের জন্য চেক সিগনেটারির পরিবর্তূন এনে গোলাম-আজাদ যৌথ স্বাক্ষরে প্রাইমব্যাংক তেজগাও শিল্প এলাকা শাখা থেকে টাকা তুলে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে যাচ্ছে।যা আলোকিত মিডিয়া লি: পর্ষদ কিছুই জানেননা।

প্রতিষ্টানটি অনেক মেধা-পরিশ্রম দিয়ে তৈরী করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম।আজ লুটে খাচ্ছে চৌকশ দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।

অভিযোগ রয়েছে গত ২ বছর যাবত কৌশলে ডামের আলোকিত বাংলাদেশ থেকে আজাদকে দিয়ে লুট করিয়ে নিয়মিত ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন গোলাম রহমান। বাজার খাচ্ছেন, হাত খরচ নিচ্ছেন, চিকিৎসা করাচ্ছেন।

এদিকে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে পরিচালিত আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে গত ২ বছরে কয়েক কোটি টাকা খরচের নামে লোপাট করা হলেও বিষয়টি গোপন রাখেন গোলাম চক্র।

গোলাম রহমান আলোকিত বাংলাদেশের আয় আজাদকে বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন।পদ-পদবীও দিয়েছেন।এসব কাজে ডাম কোম্পানি সেক্রেটারি ঘুষের অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামানও সর্বাত্মক সহযোগীতা দিয়ে লুটের ভাগে শরীক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোলাম রহমান বলেছেন আলোকিত মিডিয়া লি: এর সিদ্ধান্ত এসব করা হচ্ছে, কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো পরিচালকই জানেননা গোলাম-আজাদ রফিক গংরা মিলেমিশে কি করে কি করছে, কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। পুরোনো রেজুলেশন জালিয়াতি চলছে।

আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম গত ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।যা গোলাম চক্রের জালিয়াতি।

তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে গত ২ বছরে প্রায় ১২ কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেট চক্র। দীর্ঘ সময় না দেখার ভান করে থেকে এখন অডিটের নামে চলছে ধূয়ে-মুছে পাক-পবিত্র করার খেলা।

যাদের বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি লুটপাটের অভিযোগ তাদের নের্তৃত্বেই চলছে এসব অডিট। দেখে মনে হবে ডামে যেনো সাপ-লুডুর খেলার প্রতিযোগীতা চলছে।

ডাম সুত্রগুলো জানায় মাইম্যান আজাদের ঘুষের টাকায় বাজার খাওয়া গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা। সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রফেসর ড. গোলাম রহমানকে ফোন করা হলে রিসিভ করেননি।

ডামের একাধিক কর্মি বলেন ডামে থেকে অপরাধ করা অপরাধীরা কেউ পার পাবে না। আজ হোক আর কাল হোক অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখী একদিন হতেই হবে।

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!