শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ৩ জন গোয়েন্দা নজরদারিতে!

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ১২:৪৩ এএম

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ৩ জন গোয়েন্দা নজরদারিতে!

আইন-অপরাধ ডেস্ক: আইনশৃংখলা বাহিনীর গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ার দখলকারি ফ্যাসিবাদের দোসর ও খুলন বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান।  এবং তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোস্পানী সেক্রেটারি ঘুষে অডিট ঠিকাদার রফিকুজ্জামান রফিক।

সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনে গত ২ বছর নানারকম আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ার পরে গোপনে তদন্তে নেমেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। অনিয়মের তথ্যের সত্যতাও পেয়েছে।

সুত্র জানায় সবচেয়ে বেশী অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থচুরির ঘটনা ঘটেছে ঢাকা আহছানিয়া শিমনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আলোকিত বাংলাদেশে। এখানে নিয়মবর্হিভুত নিয়োগ দিয়ে অর্থচুরি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে, যা ভয়ানক অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।

গোয়েন্দা সুত্র মনে করেন এসব লুটপাটের সহযোগীতা করেছেন আহছানিযা মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ও সহযোগীতা করেছেন কোম্পানী সেক্রেচারী রফিকুজ্জামান রফিক।

অভিগোগ রয়েছে গোলাম-আজাদ ব্যাপক লুটপাট করে খাচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আলোকিত বাংলাদেশে। 
জানা গেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্টান কৌশলে লুটে খাচ্ছে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ডামে আসা প্রফেসর ড. গোরাম রহমান ও তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

লুটের সাথে আরও রেখেছেন একাধিক পাইক-পেয়াদা। এবং ঘুসে অডিট ঠিকাদার কোম্পানী সেক্রেটারি রফিকুজ্জাসান। এরা ৩ জনই নবাগত। নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়ে নিচ্ছে। ডামের ৭০ বছরের সুনাম নষ্ট করেছে। লুটপাট কৌশলেই তারা করছে। গোয়েন্দা সুত্র জানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে আটকও করা হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে তারা লুটের টার্গেট করেছিল ডামের অঙ্গপ্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশকে। বেআইনীভাবে পরস্পর যোগসাজেসে প্রতিষ্টানটির আয় লুটে নিতে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে চেক সিগনেটারির পরিবর্তূন এনে গোলাম-আজাদ যৌথ স্বাক্ষরে প্রাইমব্যাংক তেজগাও শিল্প এলাকা শাখা থেকে টাকা তুলে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে প্রতিষ্টানটি অনেক মেধা-পরিশ্রম দিয়ে তৈরী করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। আজ লুটে খাচ্ছে চৌকশ দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। গত ২ বছর যাবত কৌশলে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে আজাদকে দিয়ে কোটি কোটি টাকা লুট করিয়ে নিয়মিত ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন গোলাম।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।

তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ২ বছরে প্রায় ১২ কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র।

আজাদের ঘুষের টাকায় বাজার খাওয়া গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারণা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা। তবে অপরাধীরা কেউ পার পাবে না।

আজ হোক আর কাল হোক অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখী একদিন হতেই হবে বলে ডামের একাধিক সুত্র জানিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন এই তিন চোর চক্র ডামের অফিস থেকেই হেনস্থার শিকার হতে পারেন, দৌড়ানিও খেতে পারেন। খবর আসছে..চলবে..

 

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!