আইন-অপরাধ ডেস্ক: গোলাম-আজাদ ব্যাপক লুটপাট করে খাচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আলোকিত বাংলাদেশে। সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্টান লুটে খাচ্ছে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ডামে আসা প্রফেসর ড. গোরাম রহমান ও তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ।
লুটের সাথে আরও রেখেছেন একাধিক পাইক-পেয়াদা। এবং ঘুসে অডিট ঠিকাদার কোম্পানী সেক্রেটারি রফিকুজ্জাসান। এরা ৩ জনই নবাগত। নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়ে নিচ্ছে। ডামের ৭০ বছরের সুনাম নষ্ট করেছে। লুটপাট করতে এটা কৌশলেই তারা করছে।
অভিযোগ রয়েছে আজাদ-রফিক লুটের টার্গেট করেছিল ডামের অঙ্গপ্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশকে। বেআইনীভাবে পরস্পর যোগসাজেসে প্রতিষ্টানটির আয় লুটে নিতে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে চেক সিগনেটারির পরিবর্তূন এনে গোলাম-আজাদ যৌথ স্বাক্ষরে প্রাইমব্যাংক তেজগাও শিল্প এলাকা শাখা থেকে টাকা তুলে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্টানটি অনেক মেধা-পরিশ্রম দিয়ে তৈরী করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। আজ লুটে খাচ্ছে চৌকশ দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। গত ২ বছর যাবত কৌশলে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে আজাদকে দিয়ে লুট করিয়ে নিয়মিত ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন গোলাম।
আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে গত ২ বছরে কোটি টাকা লোপাট করা হলেও বিষয়টি গোপন রাখা হয়। তিনি আলোকিত বাংলাদেশের আয় বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন। এতে কোম্পানি সেক্রেটারি ঘুষের অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামানও সর্বাত্মক সহযোগীতা দিয়ে লুটের ভাগে শরীক হয়েছেন।
গোলাম রহমান বলেছেন আলোকিত মিডিয়া লি: এর সিদ্ধান্ত এসব করা হচ্ছে, কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পর্ষদের কোনো পরিচালকই জানেননা গোলাম-আজাদ রফিক গংরা কি করে কি করছে কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।
তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ২ বছরে প্রায় ১২ কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র।
আজাদের ঘুষের টাকায় বাজার খাওয়া গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা। তবে অপরাধীরা কেউ পার পাবে না। আজ হোক আর কাল হোক অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখী একদিন হতেই হবে বলে ডামের একাধিক সুত্র জানিয়েছে
ডামের নামে থাকা সম্পদ ও জমি বিক্রি করে অর্থ হাতানোর ষড়যন্ত্র চলছে. কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দেওয়ার পায়তারাও করছে। গোলাম রহমানের আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :