বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

সুখের লাগি দুটো বিয়েসহ ফ্যাক্টরি রিসোর্ট শুটিং স্পট সবই করেছেন কাস্টমস মতি

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৪, ০৬:৪৪ পিএম

সুখের লাগি দুটো বিয়েসহ ফ্যাক্টরি রিসোর্ট শুটিং স্পট সবই করেছেন কাস্টমস মতি

প্রতিটি ঈদের দিন বাড়িতে থাকত রঙিন আলোর ঝলকানি। বাড়ির নিচে বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা ছিল বেশ কয়েকটি গরু-ছাগল। কোরবানি হয়েছে সব। কিন্তু এবার এক ছাগলকান্ডে এখন সবই নিস্তব্ধ। বাসার মূল ফটক বন্ধ, খুলে রাখা হয়েছে নেমপ্লেট। রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তাঁর ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত কোথায় নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউ। সুখের লাগি দুটো বিয়েসহ ফ্যাক্টরি রিসোর্ট শুটিং স্পট সবই করেছেন তিনি। এখন সুখের পায়রারা কোথায় কেউ জানেনা। 
রাজধানীর ধানমন্ডির ৮ নম্বর রোডে ৪১/২ নম্বর ইম্পেরিয়াল সুলতানা ভবনের পাঁচতলায় গত ২১ জুন শুক্রবার গিয়ে জানা যায়, ইফাতের পরিবার সেখানে নেই। বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী জানান, মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। যে বাড়িতে ইফাতের জন্ম, সেই বাড়ি ছেড়ে তিনি কোথায় গেছেন তা জানা নেই। বাড়ির সামনে সাংবাদিকরা অবস্থান করায় এক পর্যায়ে ওপর থেকে মলমূত্র ছুড়ে মারা হয়। এই ভবনের পাঁচ তলার পুরো ফ্লোর মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতারের নামে কিনে দামি আসবাব দিয়ে সাজানো হয়েছে বলে জানা যায়। একটি সূত্র জানায়, ইফাতের ছাগলকান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ধানমন্ডির বাসা ছেড়ে কাকরাইলে নিজেদের আরেকটি ফ্ল্যাটে গিয়ে ওঠেন ইফাত, তাঁর মা শাম্মী আখতার ও ছোট ভাই। গত ২১ জুন দুপুরে কাকরাইলে স্কাইভিউ মমতা সেন্টার নামে ওই ভবনে গিয়ে জানা যায়, ভবনের ৭/ডি নম্বর ফ্ল্যাটটি তাদের। ফ্ল্যাটের নিরাপত্তাকর্মী রবিউল ইসলাম জানান, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত তারা এ বাসায় ছিলেন। এই ফ্ল্যাটে ইফাত, তাঁর মা ও ছোট ভাই মাঝেমধ্যে থাকেন। সেখানে আসেন মতিউর রহমান। 
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৭/এ নম্বর রোডের ৩৮৪ নম্বর বাড়িতে ৫ কাঠা আয়তনের প্লটে তৈরি করা সাততলা ভবনের এক ফ্লোরে বাস করেন মতিউর রহমান ও তাঁর প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকি। এই বাড়িতে মতিউর, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের ৫টি গাড়ি রাখা। কিন্তু গত ২১ জুন এই বাসায় মতিউর রহমানকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
একটি সূত্র জানায়, ছাগলকান্ডের পর ছেলেকে অস্বীকার করে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে ইফাত ইতোমধ্যে বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন বলে দায়িত্বশীল একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ছাগলকান্ড ছাপিয়ে এখন আলোচনায় মতিউরের সম্পদ। একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে এত টাকার মালিক হলেন উঠেছে সেই প্রশ্ন। মতিউরের সম্পদের বিষয়ে পাওয়া গেছে নানা তথ্য। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে যুগ্ম কমিশনারের দায়িত্বে থাকাকালে শুরু হয় তাঁর উত্থান। দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) মতিউরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। মতিউরপুত্র ইফাত মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করে এখন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী। মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর আরও দুই সন্তান রয়েছে। এক মেয়ের নাম ইফতিমা রহমান মাধবী। তিনি বারডেম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। আর ছোট ছেলে ইরফানের বয়স ৭ বছর। প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকি ছিলেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষক। বর্তমানে তিনি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তাঁর ছেলে তৌফিকুর রহমান অর্ণব। আমেরিকায় শিক্ষাজীবন শেষে দেশে ফিরে ব্যবসায় যোগ দিয়েছেন। আর মেয়ে ফারজানা রহমান ঈপ্সিতা কানাডায় থাকেন বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে মতিউর রহমানের অঢেল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। নরসিংদী, ময়মনসিংহের ত্রিশাল ছাড়াও গাজীপুরের পূবাইলে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো, জমিসহ নামে-বেনামে রয়েছে অনেক জমি ও স্থাপনা। বরিশালেও রয়েছে তাঁর সম্পদ। ঢাকায়ও আছে একাধিক প্লট ও দামি গাড়ি। স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদ গড়েছেন মতিউর।
রাজধানী ঢাকায় মতিউর রহমানের স্ত্রী-সন্তান ও ঘনিষ্ঠদের নামে ২ ডজন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে বলে জানা যায়। বসুন্ধরার ডি-বøকের ৭/এ রোডের ৩৮৪ নম্বর ভবনের মালিক তিনি। সাততলা ভবনের প্রথম, দ্বিতীয় তলায় স্ত্রী লায়লা কানিজকে নিয়ে বাস করেন। গুলশানের সাহাবুদ্দিন পার্কের পাশে ৮৩ নম্বর রোডের ১১ নম্বর প্লটে আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের বেগ পার্ক ভিউতে রয়েছে ৪টি ফ্ল্যাট। কাকরাইলে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ছোট স্ত্রীর নামে। এ ছাড়া ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে একাধিক ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে। বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ডেভেলপার কোম্পানি শান্তা ডেভেলপারের করা বিভিন্ন ভবনে তাঁর ৮টি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ফ্ল্যাট প্রথম স্ত্রীর সন্তান ফারজানা রহমান ঈপ্সিতা ও ছেলে আহমেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের নামে কেনা হয়েছে। টঙ্গীতে ৪০ হাজার বর্গফুটের এসকে ট্রিমস নামে ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারিং ও অ্যাকসেসরিজ কারখানা আছে তাঁর। যদিও কাগজ-কলমে কারখানার মালিক তাঁর ভাই এমএ কাইয়ুম হাওলাদার। টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সাতাইশ তিলারগাতি এলাকায় এসকে ট্রিমস কারখানাটিতে স্কুল ব্যাগ তৈরি করা হয়। নিরাপত্তাকর্মী মালেক মিয়া জানান, কারখানার মালিকের নাম তিনি জানেন না, তবে এমডির নাম কাইয়ুম হাওলাদার।
নরসিংদীর রায়পুরায় ওয়ান্ডার পার্ক অ্যান্ড ইকো রিসোর্ট রয়েছে মতিউরের। এসব রিসোর্টের মালিকানায় আছে তাঁর ছেলে ও মেয়ে। ময়মনসিংহের ভালুকার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ঝালপাজা মৌজায় একটি শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর আছে গ্লোবাল শুজ লিমিটেড নামে জুতার ফ্যাক্টরি। এখানে প্রায় ৩০০ বিঘা জমিজুড়ে রয়েছে গেøাবাল শুজ লিমিটেড কারখানা, বাগানবাড়ি, দেশি-বিদেশি ফলের বাগান ও ফসলি জমি। জুতার ফ্যাক্টরিতে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ফ্যাক্টরির উৎপাদিত জুতা রপ্তানি হয় বিভিন্ন দেশে। কারখানার দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, মাঝে মাঝে ফ্যাক্টরি পরিদর্শনে আসেন এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান। সকালে এসে বিকেলে চলে যান। ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ঝালপাজা চেঁচ্চার মোড় থেকে বাম দিকে কিছুটা গেলেই দেখা মেলে মতিউর রহমানের বিশাল জুতার কারখানা। ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম ওই জুতার কারখানা ও জমি দেখাশোনা করেন। স্থানীয় বাজারদরে ওই ৩০০ বিঘা জমির দাম প্রায় ১০০ কোটি টাকা। শুধু ভালুকা নয়, গাজীপুরের পূবাইলেও রয়েছে মতিউর রহমানের বিশাল সাম্রাজ্য। পূবাইলের খিলগাঁওয়ের টঙ্গী-ঘোড়াশাল সড়কের দক্ষিণ পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে গড়ে তুলেছেন ‘আপন ভুবন’ পিকনিক অ্যান্ড শুটিং স্পট। এই স্পটের তত্ত্বাবধায়ক মো. মাসুদ জানান, জমি লিজ ও বার্ষিক ভাড়ায় নিয়ে ২০১৮ সালের দিকে স্পটটি চালু করা হয়। রিসোর্টটি প্রায় ২৫ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। 
নিজ এলাকা মুলাদী উপজেলায় বাড়িঘর ছাড়াও তাঁর নামে প্রায় ১ হাজার ৫০০ বিঘা জমি রয়েছে। নরসিংদীর মরজালে তাঁর স্ত্রী উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকির নামে ১০০ বিঘা জমির ওপর রয়েছে ওয়ান্ডার পার্ক অ্যান্ড ইকো রিসোর্ট। তাঁর মেয়ে ফারজানা ঈপ্সিতার নামে মরজাল বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় ১০ বিঘা জমি রয়েছে। এ ছাড়া ছেলে তৌফিকুর রহমান অর্ণব ও মেয়ে ঈপ্সিতার নামে ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। নাটোরের সিংড়ায় ২০ বিঘা জমি রয়েছে। স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকির নামে নরসিংদীর রায়পুরার মরজালে ৪ বিঘা জমির ওপর রয়েছে অট্টালিকা।
এ ছাড়া গাজীপুর সদর, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় ৬০ শতাংশ জমি আছে। সাভার থানার বিলামালিয়া মৌজায় ১২ দশমিক ৫৮ শতক জমি রয়েছে। লায়লা কানিজের নামে সাভার থানার বিলামালিয়ায় ১৪ দশমিক ০৩ শতাংশ জমি রয়েছে মতিউরের।
এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরের ছেলে ইফাত পার্ল কালারের প্রাডো মডেলের যে গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৫-৯৩২৭) হাঁকিয়ে বেড়ান, তার মালিকানা এসকে ট্রিম অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে। এটি গার্মেন্ট সরঞ্জাম তৈরি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। টঙ্গীতে এ প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর ডিরেক্টর হিসেবে মতিউর রহমানের ভাই এমএ কাইয়ুম হাওলাদারের নাম পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ারের মালিক তিনি। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকও তিনি। আবার প্রাডো গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নথিতে এসকে ট্রিম ইন্ডাস্ট্রিজের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে নিকেতনের ই-বøক, ৮ নম্বর রোডের ৩৪ ও ৩৬ নম্বর প্লটে অবস্থিত মুন আইল্যান্ড নামক ভবনের স্যুট নম্বর ৮। ইফাত ও তাঁর মা শাম্মী আখতার প্রিমিও মডেলের (ঢাকা মেট্রো-গ ৩২-৬২৩৯) যে গাড়ি ব্যবহার করেন, সেটির মালিকানা গ্লোবাল ম্যাক্স প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে। নিকেতনের একই ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। গতকাল সেখানে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের সামনে সাইনবোর্ডে লেখা ওয়ান্ডার পার্ক অ্যান্ড ইকো রিসোর্ট। সাইট অফিসের ঠিকানা মারজাল, রায়পুরা, নরসিংদী। এ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল খায়ের মানিক এবং পরিচালক মতিউর রহমানের প্রথম স্ত্রীর ছেলে তৌফিকুর রহমান ও মেয়ে ফারজানা রহমান। 
মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গাড়ি চালানোর জন্য পাঁচজন চালক আছেন বলে জানা যায়। প্রাডো, বিএমডবিøউ, রেঞ্জ রোভারসহ বিলাসবহুল ৮ থেকে ১০টি গাড়ি আছে তাদের। তবে প্রায় সব গাড়ির মালিকানা তাদের বিভিন্ন কোম্পানির নামে। এ ছাড়া তাঁর মেয়ের ল্যাম্বারগিনি নামে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যার দাম প্রায় ৪ লাখ কানাডিয়ান ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি টাকা।
২১ জুন শুক্রবার বাহাদুরপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামে বাবার ভিটেয় দুই তলা ভবন করেছেন মতিউর। ২০০৩ সালের নির্বাচনে মতিউরের বাবা হাকিম হাওলাদারের কাছে হেরেছিলেন বর্তমানে মুলাদী উপজেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার ইউসুফ আলী। তখনকার উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও বর্তমানে উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার জানান, হাকিম হাওলাদার বিএনপি প্রার্থী ছিলেন। দলে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদ ছিল। তাঁর মেজো ছেলে ঢাকার ব্যবসায়ী কাইয়ুম হাওলাদার এখনও কাজীরচর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। হাকিমের আরেক ভাই এবিএম সিদ্দিক হাওলাদার ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। বাড়ির সবাই বিএনপিপন্থি। মুলাদী উপজেলা বিএনপির একটি প্যাডে দেখা গেছে, ২০১০ সালের ৬ জুন গঠিত কাজীরচর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির তৃতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন মতিউরের ভাই কাইয়ুম। ওই কমিটি এখনও বহাল বলে জানা গেছে। মতিউরের আপন চাচাতো ভাই আবদুল্লাহ হাওলাদার ও মাসুম হাওলাদার ঢাকায় থাকেন। ঈদ করতে বাড়ি এসেছেন। একই শহরে থাকলেও মতিউরের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই বলে জানান। মাসুম জানান, মতিউরের সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ দেখা হয় ২৭ বছর আগে ১৯৯৭ সালে। আবদুল্লাহ জানান, ২০১৮ সালে পিতা হাকিম হাওলাদারের মৃত্যুতে বাড়ি এলে মতিউরের সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ দেখা হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সুবিধাবাদী পারিবারিকভাবেই বিএনপি করা মতিউর সম্পদের চুড়ায় উঠে আওযামী লীগের আমলে। এরআগে বিএনপিরঅর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের কাছে পরিচয় দিয়েছেন তার পুরোপরিবার বিএনপির রাজনীতি করেন এবং বিভিন্ন পদে আছেন। এসুবাধে সাইফুর রহমানের কাছে ভিরেযান। এরপর বাকিটা ইতিহাস।

 

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!